চট্টগ্রাম নগরীর রিয়াজউদ্দিন বাজার ও নিউ মার্কেট এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সহিংসতার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় এজাহারভুক্ত ২৮৪ আসামির মধ্যে ১৭৮ নম্বরে রয়েছে সাজ্জাদ আলমের নাম। মামলার বেশ কয়েকজন আসামির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হলেও সাজ্জাদ আলম এখনো গ্রেপ্তার না হওয়ায় তাকে ঘিরে উঠেছে নানা প্রশ্ন।
কোতোয়ালি থানার এফআইআর নং-৩১ ও জিআর নং-৩৫৫, ৩০ আগস্ট ২০২৪ তারিখে দায়ের করা মামলায় ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট রিয়াজউদ্দিন বাজার, নিউ মার্কেট মোড় ও আশপাশে হামলা, মারধর ও গুলিবর্ষণের অভিযোগ আনা হয়। এতে ২৮৪ জনের নামের পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা আরও ৩০০-৪০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
সাজ্জাদ আলমের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক সম্পৃক্ততা এবং ঘটনার সময় আর্থিক সহযোগিতার অভিযোগ রয়েছে বলে স্থানীয়ভাবে আলোচনা রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা এখনো আদালত বা তদন্তে প্রমাণিত হয়নি।
এদিকে মামলায় নাম থাকার পরও তিনি কীভাবে দীর্ঘদিন প্রকাশ্যে চলাফেরা করছেন—এ প্রশ্নও উঠেছে। তাকে ঘিরে দেশত্যাগের গুঞ্জন থাকলেও এর কোনো সরকারি নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, এজাহারে নাম থাকা মানেই অপরাধ প্রমাণিত নয়। তদন্তের মাধ্যমে প্রত্যেক আসামির পৃথক ভূমিকা, ঘটনাস্থলে অবস্থান, যোগাযোগ ও সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ যাচাই করা জরুরি।
রিয়াজউদ্দিন বাজারের সহিংসতার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে সাজ্জাদ আলমের ভূমিকা তদন্তের আওতায় এসেছে কি না—এখন সেটিই সংশ্লিষ্টদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। তার বিরুদ্ধে কোনো আদালতীয় আদেশ বা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থাকলে তা কার্যকর হয়েছে কি না, সেটিও স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন।