চট্টগ্রাম বন্দরের শিপিং চ্যানেল থেকে ১৫ হাজার মিটার কারেন্ট জাল অপসারণ

চট্টগ্রাম বন্দরের মূল শিপিং চ্যানেল ও বহিঃনোঙর এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে ২২টি টং জাল ও প্রায় ১৫ হাজার মিটার কারেন্ট জালসহ বিপুল পরিমাণ অবৈধ মাছ ধরার জাল ও সরঞ্জাম অপসারণ করেছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ।

রোববার (১৬ আগস্ট) নৌ-চলাচল নিরাপদ, নির্বিঘ্ন ও ঝুঁকিমুক্ত রাখা এবং জাহাজ চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকারী অবৈধ কার্যক্রম প্রতিরোধে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে বিএলভি ‘লুসাই’, ‘কাণ্ডারী-৮’ এবং চারটি দেশীয় বোটের সমন্বয়ে মূল শিপিং চ্যানেল ও বহিঃনোঙর এলাকায় উচ্ছেদ ও তদারকি কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। অভিযানে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের একটি জাহাজ ও একটি বোট সহযোগিতা করে।

বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে পরিচালিত অভিযানে মূল শিপিং চ্যানেলে স্থাপন করা ২২টি টং জাল এবং প্রায় ১৫ হাজার মিটার কারেন্ট জালসহ জাল স্থাপনে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম অপসারণ করা হয়। এসব অবৈধ জাল নৌ-চলাচল ও জাহাজের নিরাপদ চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে নেভিগেশনাল নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি তৈরি করছিল।

অভিযানকালে নেভিগেশনাল রুটে অবস্থানরত ফিশিং বোটগুলোকে চ্যানেল এলাকা থেকে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে নির্ধারিত নৌ-চলাচল রুট ও নেভিগেশনাল চ্যানেলে পুনরায় অবৈধভাবে জাল স্থাপন না করতে সংশ্লিষ্ট মাঝিমাল্লাদের কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বন্দরের নেভিগেশনাল নিরাপত্তা বজায় রাখা, জাহাজ চলাচলে প্রতিবন্ধকতা দূর করা এবং কর্ণফুলী চ্যানেল ও বহিঃনোঙর এলাকায় অবৈধ কার্যক্রম প্রতিরোধে নিয়মিত অভিযান ও তদারকি অব্যাহত থাকবে। এ কাজে বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের সমন্বিত সহযোগিতাও অব্যাহত থাকবে।

বন্দর কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট সব নৌযান, মাঝিমাল্লা ও অন্যান্য ব্যবহারকারীকে নির্ধারিত নৌ-চলাচল রুট মেনে চলা এবং নেভিগেশনাল চ্যানেলে জাল বা অন্য কোনো প্রতিবন্ধকতা স্থাপন থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে।