আগামীকাল শুক্রবার (৭ আগস্ট) চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিভাসু) বিশ্ববিদ্যালয় দিবস বর্ণাঢ্য আয়োজনে উদযাপিত হবে। দিবসটি উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শোভাযাত্রা, কেক কাটা, বেলুন উড়ানো এবং আলোচনা সভাসহ নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন চত্বরে অনুষ্ঠিতব্য অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সিভাসুর উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান। দিবসটি উপলক্ষে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও আমন্ত্রিত অতিথিদের অংশগ্রহণে দিনব্যাপী বিভিন্ন আয়োজন সম্পন্ন হবে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, দক্ষ ও যুগোপযোগী ভেটেরিনারিয়ান তৈরির লক্ষ্য নিয়ে ১৯৯৫-৯৬ শিক্ষাবর্ষে মাত্র ৫০ জন শিক্ষার্থী নিয়ে তৎকালীন চট্টগ্রাম সরকারি ভেটেরিনারি কলেজের যাত্রা শুরু হয়। পরবর্তীতে ডেইরি ও পোল্ট্রি শিল্পের বিকাশ এবং কৃষি শিক্ষার আঞ্চলিক গুরুত্ব বিবেচনায় প্রতিষ্ঠানটিকে পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নীত করার দাবি জোরালো হয়ে ওঠে।
এর ধারাবাহিকতায় ২০০৪ সালের ১৯ এপ্রিল চট্টগ্রামের আউটার স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এক সমাবেশে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া কলেজটিকে বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নীত করার ঘোষণা দেন। পরে ২০০৬ সালের ২ ফেব্রুয়ারি তিনি চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলক উন্মোচন করেন।
পরবর্তীতে ২০০৬ সালের ৭ আগস্ট জাতীয় সংসদে আইন পাসের মাধ্যমে চট্টগ্রাম সরকারি ভেটেরিনারি কলেজকে রূপান্তর করে প্রতিষ্ঠা করা হয় চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় (সিভাসু)। প্রতিষ্ঠার এই দিনটিকেই প্রতিবছর বিশ্ববিদ্যালয় দিবস হিসেবে উদযাপন করা হয়।
বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে দেওয়া শুভেচ্ছা বার্তায় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান বলেন, “ছোট পরিসরে যাত্রা শুরু করলেও শিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবনের ধারাবাহিক অগ্রগতির মাধ্যমে সিভাসু আন্তর্জাতিক মানের বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত হওয়ার লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছে।”
তিনি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার আন্দোলন ও সংগ্রামে অবদান রাখা সকল ব্যক্তি, সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন।