২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রকাশিত ফলাফলে সব শিক্ষা বোর্ডে ইংরেজি ও গণিত বিষয়ে তুলনামূলক সবচেয়ে বেশি সংখ্যক শিক্ষার্থী ফেল করেছেন। বিপরীতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়ে দেশের সব বোর্ডে সর্বোচ্চ সংখ্যক শিক্ষার্থী পাশ করার সাফল্য দেখিয়েছেন।
সোমবার (১০ আগস্ট) সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার এ ফল প্রকাশ করেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন।
প্রকাশিত ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ঢাকা বোর্ডে ইংরেজিতে ৭৮.৪০ শতাংশ ও গণিতে ৮২.৮৫ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছেন। রাজশাহী বোর্ডে ইংরেজিতে ৭৪.৭ শতাংশ ও গণিতে ৭৭.১৭ শতাংশ, কুমিল্লায় ইংরেজিতে ৮১.২৯ শতাংশ ও গণিতে ৮১.৭৫ শতাংশ, যশোরে ইংরেজিতে ৭১.৮৪ শতাংশ ও গণিতে ৮৩.৩৪ শতাংশ, চট্টগ্রামে ইংরেজিতে ৭২.২৭ শতাংশ ও গণিতে ৮০.০৫ শতাংশ, বরিশালে ইংরেজিতে ৬৯.২৪ শতাংশ ও গণিতে ৭৭.৯৮ শতাংশ, সিলেটে ইংরেজিতে ৬৯.১১ শতাংশ ও গণিতে ৭৫.৯৬ শতাংশ, দিনাজপুরে ইংরেজিতে ৭২.৯১ শতাংশ ও গণিতে ৭১.০৫ শতাংশ এবং ময়মনসিংহ বোর্ডে ইংরেজিতে ৬৬.৬৪ শতাংশ ও গণিতে ৬৯.৬১ শতাংশ শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন।
অন্যান্য বোর্ডের মধ্যে মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে ইংরেজিতে ৭৯.২১ শতাংশ ও গণিতে ৬৯.৯৭ শতাংশ এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ইংরেজিতে ৯৪.৭৯ শতাংশ ও গণিতে ৭০.৯২ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছেন।
সারাদেশে এবার এসএসসি ও সমমানে গড় পাসের হার কমে দাঁড়িয়েছে ৬২.২৫ শতাংশে, যা গত বছর ছিল ৬৮.৪৫ শতাংশ। অন্যদিকে এবার জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষার্থী, যেখানে গত বছর এ সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন।
এছাড়া কেবল ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৬৪.০৫ শতাংশ। গত বছর এই সাধারণ বোর্ডগুলোতে পাসের হার ছিল ৬৮.০৪ শতাংশ; ফলে এক বছরের ব্যবধানে পাসের হার ৩.৯৯ শতাংশ কমেছে।