স্থানীয় জনমতের তোয়াক্কা না করে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার সাথে সুয়াবিল ইউনিয়ন এবং নাজিরহাট পৌরসভার একাংশ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এবং বিষয়টি উচ্চ আদালতে বিচারাধীন বলে অভিযোগ করেছে বৃহত্তর সুয়াবিল ইউনিয়ন অধিকার সংরক্ষণ ফোরাম| গত রবিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করা হয়| বিজিসি ট্রাস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণীবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মনজুরুল কিবরিয়া বলেন, সুয়াবিল ইউনিয়ন থেকে প্রস্তাবিত উপজেলা সদর প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে, অথচ বর্তমান ফটিকছড়ি উপজেলা সদর মাত্র ৪ থেকে ৫ কিলোমিটার দূরে| তাই নতুন সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে সাধারণ মানুষের প্রশাসনিক সেবা গ্রহণে দুর্ভোগ, সময় ও ব্যয় বৃদ্ধি পাবে| প্রশাসনিক বাস্তবতা উপেক্ষা করে একটি ¯^ার্থাšে^ষী মহলের প্রভাবে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে| স্থানীয় সরকার বিভাগ ২০২৬ সালের ৭ জানুয়ারির এক নির্দেশনায় সুয়াবিল ইউনিয়ন এবং নাজিরহাট পৌরসভার ১, ২ ও ৩ ন¤^র ওয়ার্ড বাদ দিয়ে নতুন প্রস্তাব প্রণয়নের নির্দেশ দিয়েছিল| নাজিরহাট পৌরসভার এই তিনটি ওয়ার্ড এক সময় সুয়াবিল ইউনিয়নের অন্তর্গত ছিল| তিনি আরও বলেন, একই বিষয়ে হাইকোর্টে একাধিক রিট বিচারাধীন থাকা সত্ত্বেও গত ১ জুলাই জাতীয় বাস্তবায়ন, প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস ও সমš^য় সংক্রান্ত কমিটির (নিকার) সভায় এ প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে|