ভোলা থেকে কাঁচপুর যাতায়াতে সময় লাগবে ৭ ঘণ্টা

প্রথমবারের মতো ভোলা-ঢাকা নৌরুটে সরাসরি সরকারি ফেরি সার্ভিস চালু করেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি)। ভোলার ইলিশা থেকে কাঁচপুর রুট নির্ধারণ হওয়ায় উচ্ছ্বাসিত ভোলাবাসী। এতে সময় লাগবে ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা। যাত্রী ও পণ্য পরিবহনে ভোগান্তি কমবে বলছেন পরিবহন শ্রমিক ও ব্যবসায়ীরা।
দ্বীপ জেলা ভোলার সঙ্গে রাজধানীর যোগাযোগ সহজ করতে আনুষ্ঠানিকভাবে দুটি ফেরি বেগম রোকেয়া ও বেগম সুফিয়া কামাল চালু করা হয়। গত মঙ্গলবার এর উদ্বোধন করেন নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
আগে ভোলা-লক্ষ্মীপুর নৌরুট ব্যবহার করে দৈনিক ভোলা থেকে রাজধানীতে যেতে যানবাহনগুলোর সময় লাগত ১২ থেকে ১৪ ঘণ্টা। শুষ্ক মৌসুমে এই সময় বেড়ে যায় দুই থেকে তিন গুণ। পরিবহন শ্রমিক ও মালিকরা বলছেন, ইলিশা-কাঁচপুর রুট চালু হওয়ায় তাদের সময় ও খরচ কমবে।
কর্মসংস্থান এবং ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণে এই উদ্যোগ ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে দাবি বিআইডব্লিউটিসি’র।
ভোলার ইলিশা ফেরিঘাট বিআইডব্লিউটিসি’র ব্যবস্থাপক মো. কাওছার আহাম্মেদ খান বলেন, এখন আপাতত ১৪টা ট্রাক এবং ৫-৭টা ছোট গাড়ি আমরা পারাপার করছি। কাঁচপুরে হওয়ার সুবিধাটা হচ্ছে, ঢাকা শহরের দিনের বেলা কোনো ট্রাক ঢুকতে পারে না। যানজট তৈরি হয়, যে কারণে কাঁচপুরে হলে যেকোনো জায়গা পণ্য আনলোড করতে পারবে।
যৌক্তিক ভাড়া নির্ধারণের পাশাপাশি সেবার মান বাড়াতে কাজ করা হচ্ছে বলে জানান নৌপরিবহন মন্ত্রী।
নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, এটা নিয়ে আমরা আরও বিস্তারিত আলোচনা করছি। সেবার মান কিভাবে বাড়ানো যায়, ফেরির সংখ্যা কিভাবে বাড়ানো যায়, কিভাবে শৃঙ্খলা আনা যায়, যৌক্তিক ভাড়া নির্ধারণ করা যায়, সে ব্যাপারে বিআইডব্লিউটিসি, বিআইডব্লিউটিএ এবং অন্যান্য সংস্থা কাজ করছে।
২০০৮ সালে ভোলা-লক্ষ্মীপুর রুটে প্রথম ফেরি সার্ভিস চালু হয়।