কাতারের কাছে আরও জ্বালানি চেয়েছি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন জানিয়েছেন, বাংলাদেশকে আরও বেশি জ্বালানি দেওয়ার জন্য কাতার সরকারকে অনুরোধ করা হয়েছে।  তিনি বলেছেন, কাতার বিশ্বের সর্ববৃহৎ জ্বালানি রপ্তানিকারক দেশ। আমরা তাদের কাছে আরও জ্বালানি চেয়েছি। কিন্তু ইউরোপের দেশগুলো বেশি চাচ্ছে। জ্বালানির ক্ষেত্রে বিভিন্ন দেশ লং টার্ম কনট্রাক্টে যাচ্ছে।

সোমবার (২২ মে) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

গত দুই মাসের মধ্যে দ্বিতীয়বারের মতো কাতার যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) রপ্তানির বিষয়ে সরকারপ্রধান কাতারকে একটি প্রস্তাবও দিয়েছিলেন। হয়তো এ নিয়ে আলোচনা চলছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, আপনারা জানেন, আমরা জ্বালানি নির্ভরশীল দেশ। ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বিশ্ব জ্বালানি সংকটে পড়েছে। আর কাতার হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বৃহৎ জ্বালানি রপ্তানিকারক দেশ। আমরা সবশেষ যখন তাদের সঙ্গে আলাপ করেছি, তখন তাদের কাছ থেকে কোটাভিত্তিক জ্বালানি সংগ্রহের কথা বলেছি। আমরা তাদের কাছে আরও জ্বালানি চেয়েছি। কিন্তু ইউরোপের দেশগুলো বেশি চাচ্ছে। জ্বালানির ক্ষেত্রে তারা লং টার্ম কনট্রাক্টে যাচ্ছে। যেটা জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী ভালো বলতে পারবেন।

ড. মোমেন আরও বলেন, জ্বালানির ক্ষেত্রে দীর্ঘ মেয়াদি রাষ্ট্রীয় চুক্তি হয়। আমাদের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে কাতার বলেছিল, তারা বিষয়টি নিয়ে চিন্তাভাবনা করবে। তাদের কাছ থেকে যেন আরও জ্বালানি পাই, সেজন্য অনুরোধ করেছি। তারা যে আমাদের সঙ্গে আলাপ করতে রাজি হয়েছে, এটি একটি ভালো দিক।

এছাড়া ব্রুনাইসহ বিভিন্ন দেশ থেকে জ্বালানি সংগ্রহের চেষ্টা করা হচ্ছে জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কিন্তু তাদের সরবরাহ কম। আর একবার যদি কাতারের সঙ্গে সম্পর্ক হয়েই যায়…আমরা তাদের কাছ থেকে আরও জ্বালানি পাবো। কাতার খুবই প্রভাবশালী একটি দেশ। তাদের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো থাকলে আমাদের প্রবাসীদেরও উপকার হবে। আমরা কাতারের সঙ্গে সম্পর্ক গভীর করতে চাই।

তিনি বলেন, আমরা খুবই খুশি যে কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি খুবই সম্মানের সঙ্গে আমাদের দাওয়াত দিয়েছেন।