বঙ্গবন্ধুর জুলিও কুরি পদক অর্জনের সুবর্ণ জয়ন্তী

১৯৭৩ সালের ২১-২৩ মে ঢাকায় বিশ্বশান্তি পরিষদের উদ্যোগে এশীয় শান্তি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। দেশে ও বিদেশের রাজনীতিক, লেখক, বুদ্ধিজীবী ও শান্তি আন্দোলনের সংগঠকরা এতে অংশ নেন। সম্মেরনের শেষ দিন অর্থাৎ ২৩ মে, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে তুলে দেয়া হয় বিশ্ব শান্তি পরিষদের সর্বোচ্চ সম্মান জুলিও কুরি পদক। ইতিহাসের সেই মাহেন্দ্রক্ষণের সুবর্ণ জয়ন্তী। জুলিও কুরি পদক অর্জন ছিল স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম কোন আন্তর্জাতিক পদক অর্জন।

বিশ্বশান্তি পরিষদের সম্মানজনক পদকটি ফরাসি নোবেলজয়ী বিজ্ঞানী জঁ ফ্রেডরিক জুলিও কুরির নামে প্রবর্তিত হয়েছিল। জুলিও কুরির প্রতিভার সমম্বয় ঘটেছিল বিজ্ঞান সাধনা, সংগ্রামী রাজনীতি চেতনা এবং মানবতাবাদী গুণাবলীর ভেতর দিয়ে। পারমাণবিক আবিষ্কার তাঁর জীবনের অন্যতম ঘটনা। কিন্তু এই আবিষ্কার তাঁর মনে শঙ্কাও এনে দেয়। বিজ্ঞানী আইনস্টাইনের সঙ্গে পত্রালাপের ভেতর দিয়ে তাঁর সেই শঙ্কার পরিচয় পাওয়া যায়। এই আশঙ্কা ছিল সাম্রাজ্যবাদী ধণিক শ্রেণীর হাতে পড়লে পৃথিবীর শান্তি, গণতন্ত্র ও স্বাধীনতাকামীদের মুক্তিসংগ্রাম পরাজিত হবার আশঙ্কা।

তাঁর এই আশঙ্কা সত্যে পরিণত হলো যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক সেই আণবিক বোমা জাপানের নাগাসাকি ও হিরোশিমা শহরের নিরীহ জনসাধারণের বিরুদ্ধে প্রয়োগ করা হলো। জুলিও কুরি এতে ভীষণ ব্যথিত, মর্মাহত এবং ক্ষুব্ধ হলেন। বিজ্ঞান মানুষের কল্যাণ নিয়ে আসুক, মঙ্গলবাণী নিয়ে প্রযুক্তির উদ্ভব ঘটুক তিনি এটা চেয়েছিলেন।

ফলে তিনি বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য বিশ্বের খ্যাতনামা বিজ্ঞানী বুদ্ধিজীবীদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করলেন। এদের মধ্যে বিজ্ঞানী আইনস্টাইন, ব্রিটিশ বৈজ্ঞানিক কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক জে. ডি. বার্ণাল, শিল্পী পাবলো পিকাসো, অভিনেতা চার্লি চ্যাপলিন, চিলির বিখ্যাত কবি ও সাহিত্যিক পাবলো নেরুদা, তুরস্কের কবি ও রাজনীতিবিদ নাজিম হিকমত, রাশিয়ার ইলিয়া ইরেনবুর্গ প্রমুখ অন্যতম। এরা সকলেই আণবিক বোমা ও যুদ্ধের বিরুদ্ধে এবং বিশ্ব শান্তির পক্ষে জোরালো জনমত গড়ে তোলেন। এভাবেই পৃথিবীব্যাপী যুদ্ধ এবং যুদ্ধংদেহী রাষ্ট্রগুলির বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠিত হয় শান্তির আন্দোলন। ক্রমাম্বয়ে এই আন্দোলনে সমগ্র পৃথিবীর স্বাধীনতাকামী, মেহনতী ও নিপীড়িত মানুষ অংশগ্রহণ করে। যেখানে পৃথিবীর স্বাধীনতাকামী সকল শ্রেণির জাতি ধর্ম বর্ণ শ্রেণি নির্বিশেষে ঐক্যবব্ধ একটাই ধ্বনি উচ্চারণ করে, আর সেটা হলো বিশ্বশান্তি। জুলিও কুরির এই প্রচেষ্টা সার্থক হয় বিশ্ব শান্তি ধ্বনির মাধ্যমে।

১৯৪৯ সালে গড়ে ওঠে বিশ্ব শান্তি পরিষদ। বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এ পুরস্কার লাভ করেন। ১৯৫০ সালে চেকোশ্লাভিকিয়ান সাহিত্যিক জুলিয়াস ফুচিক প্রথম জুলিও কুরি পদক পান। এরপর ক্রমাম্বয়ে এই পদকের তালিকায় যুক্ত হন বিশে^র খ্যাতিমান ব্যক্তিবর্গ যেমন – পাবলো পিকাসো, পাবলো নেরুদা, পল রোবসন, নাজিম হিকমত, জহরলাল নেহেরু, মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র, ফিদেল ক্যাস্ট্রো, জামাল আবদুল নাসের, সালভেদর আলেন্দে, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রমুখ।

২.
রিচার্ড বার্টন এর উক্তি-‘পিস ইজ দি ড্রিম অব দি ওয়াইজ, ওয়ার ইজ দি হিস্ট্রি অব ম্যান’। অর্থাৎ,‘শান্তি সুধীজনের স্বপ্ন, আর যুদ্ধ বিগ্রহ মানুষের ইতিহাস।’ সভ্যতার শুরু থেকে যুদ্ধ শুরু হয়েছে। কিন্তু শান্তির পক্ষে খুব কম লোকই থাকে। কার্ল ভন ক্লজউইটজ তাঁর অন ওয়ার গ্রন্থে এ প্রসঙ্গে বলেছেন,‘দি কনকারার ইজ অলওয়েজ এ লাভার অব পিস’। পররাজ্য গ্রাসকারীরাই শান্তির সবচেয়ে বড় প্রবক্তা। ফলে শান্তি সব সময়েই সুদূরপরাহত হয়েছে। খুব কম রাজনীতিবিদই শান্তির পক্ষে কথা বলতে পেরেছেন।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘জুলিও কুরি’ শান্তি পুরস্কারপ্রাপ্তি ছিল তাঁর সারা জীবনের লড়াই-সংগ্রামের ফসল। একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র গঠন ও মানবতার জন্য বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠার অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বঙ্গবন্ধুকে এই আন্তর্জাতিক মর্যাদাপূর্ণ পদক প্রদান করা হয়। বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় তাঁর অবদান অনন্য। তিনি নিজে পিকিং এ অনুষ্ঠিত প্রথম এশীয় ও প্রশান্ত মহাসাগর অঞ্চলীয় শান্তি সম্মেলনে একজন প্রতিনিধি হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন। বিশ্ব শান্তি পরিষদের ১৯৫৬ সালের স্টকহোম সম্মেলনেও যোগ দিয়েছিলেন। এজন্য আমরা দেখি ১৯৭৩ সালের ২৩ মে ঢাকায় জুলিও কুরি পদক প্রদান অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধু তাঁর বক্তৃতায় বলেছিলেন, ‘বিশ্বশান্তি আমার জীবন দর্শনের অন্যতম মূলনীতি। নিপীড়িত, নির্যাতিত, শোষিত, শান্তি ও স্বাধীনতাকামী সংগ্রামী মানুষ সে বিশ্বের যে কোন স্থানেরই হোক না কেন- তাদের সাথে আমি রয়েছি। আমরা চাই বিশ্বের সর্বত্র শান্তি বজায় থাকুক। তাকে সুসংহত করা হোক। আমরা চাই অস্ত্র প্রতিযোগিতায় ব্যয়িত অর্থ দুনিয়ার দুঃখী মানুষের কল্যাণের জন্য নিয়োগ করা হোক। তাহলে পৃথিবী থেকে দারিদ্র্যের অভিশাপ মুছে ফেলার কাজ অনেক সহজসাধ্য হবে।’

তাঁর এই বিশ্বাস থেকেই তিনি স্বাধীন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিতে বিশ্বের সকল দেশ ও জাতির বন্ধুত্ব কামনা করেছিলেন। ‘সকলের সাথে বন্ধুত্ব- কারো প্রতি বিদ্বেষ নয়।’ শান্তিপূর্ণ সহঅবস্থানের এই নীতিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্বাসী ছিলেন।

রাজনীতির কবি, বাঙালির স্বপ্নদ্রষ্টা, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনের লক্ষ্য ছিল, পাকিস্তানিদের যাঁতাকল থেকে বাঙালির মুক্তি এবং বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রে পরিণত করা। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশ অর্জিত হলে তিনি আপ্রাণ চেষ্টা করেন যেন বাঙালি বিশ্বে একটি আত্মমর্যাদাশীল জাতিতে পরিণত হয়। এজন্য ১৯৭২ সালের ১০ অক্টোবর চিলির রাজধানী সান্তিয়াগোয় বিশ্ব শান্তি পরিষদের প্রেসিডেন্সিয়াল কমিটির সভায় বাঙালি জাতির মুক্তি আন্দোলন এবং বিশ্ব শান্তির সপক্ষে বঙ্গবন্ধুর অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘জুলিও কুরি’ শান্তি পদক প্রদানের জন্য শান্তি পরিষদের মহাসচিব রমেশ চন্দ্র প্রস্তাব উপস্থাপন করেন।

বঙ্গবন্ধুর রাষ্ট্রনায়কোচিত ভাব, স্বাধীন সত্তা বিশ্ব দরবারে বাঙালির অহংকারে পরিণত করেছে। ব্রিটিশ মানবতাবাদী নেতা লর্ড ফেনার ব্রকওয়ে বঙ্গবন্ধুকে বিশ্বের ইতিহাসখ্যাত স্বাধীনতা সংগ্রামীদের মধ্যে সবচেয়ে মহান নেতা বলে অভিহিত করেছেন ।

কতো মহাদেশ, সমুদ্রপাড়ের দ্বীপদেশ, জর্জরিত নিষ্পেষিত স্বাধীনতাকামী বঙ্গবন্ধুর অনুপ্রেরণায় উজ্জীবিত হয়েছে, তাঁর ভাবধারার সাথে সংযুক্ত হতে চেয়েছে। এসব দেশগুলোকে গভীর আত্মীয়তাসূত্রে তিনি মেলবন্ধন করার চেষ্টায় উন্মুখ থাকতেন। হৃদয় উজাড় করে মিশেছিলেন। সকলের সঙ্গে । শান্তিকামী রাজনীতিবিদ বঙ্গবন্ধু বিশ্ব মানবের মৈত্রীর কথা এমন সুন্দর করে বলে গেছেন, যা পৃথিবীর কম রাজনীতিবিদই পেরেছেন । তাঁর কথা ছিল, ধ্বংস নয় সৃষ্টি; যুদ্ধ নয় শান্তি । উল্লেখ্য যে, ফ্যাসিবাদবিরোধী সাম্রাজ্যবিরোধী সংগ্রামকে বিশ্ব মানবতার ইতিহাসে চিরঅম্লান করে রাখার জন্য বিশ্বশান্তি পরিষদ বঙ্গবন্ধুকে এই মহান পদকে ভূষিত করে।

বঙ্গবন্ধুর জুলিও কুরি শান্তি পদক অর্জন আপামর বাঙালির এক বিরল সম্মান। এ মহান অর্জনের ফলে জাতির পিতা পরিণত হয়েছেন বঙ্গবন্ধু থেকে বিশ্ববন্ধুতে। ১৯৭৩ সালের ২৩ মে জুলিও কুরি পদক প্রাপ্তির পর বিশ্বের অনেক বিশিষ্ট নেতা বঙ্গবন্ধুকে অভিনন্দন জানান।

‘মুজিব মুক্তির প্রতীক’ বলে অভিহিত করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী মিসেস ইন্দিরা গান্ধী। বঙ্গবন্ধুর জুলিও কুরি পদক প্রাপ্তিতে আনন্দ প্রকাশ করে তিনি এক বাণীতে বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর শুধু বিপ্লবী বাংলাদেশের নেতাই নন। তিনি মুক্তির প্রতীক- যে প্রতীক বিভিন্ন জাতির হ্নদয়ে একটি প্রজ্জলিত শিখা।’ অভিনন্দন জানান ইরাকের প্রেসিডেন্ট আহমেদ হাসান আল বকর, সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রধানমন্ত্রী আলেক্সী কোসিগিন, ইয়েমেনের প্রধানমন্ত্রী নাসের মোহাম্মদ, আরব লীগের সেক্রেটারী প্রমুখ।

এছাড়াও ১৯৭৩ সালের ২৩ মে তারিখে ঢাকায় এশীয় শান্তি সম্মেলনে যোগদানকারী বিভিন্ন দেশ থেকে আগত শান্তি প্রতিনিধিদলের নেতৃবৃন্দ পৃথক পৃথক ভাষণে বঙ্গবন্ধুর জুলিও কুরি পদক প্রাপ্তির জন্য আন্তরিক অভিনন্দন জ্ঞাপন করেন। নেতৃবৃন্দ বাংলাদেশের সমৃদ্ধি ও বঙ্গবন্ধুর সাফল্য এবং তাঁর সুদীর্ঘ জীবন কামনা করেন। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিরা হলেন সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রতিনিধি দলের প্রধান মি. কে. কামালভ, ভারতীয় প্রতিনিধিদলের প্রধান শ্রী বিজয় ভগবতী, দক্ষিণ আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেস এর সাধারণ সম্পাদক মি. সিন্ডিসো জরলি, ইরাকী প্রতিনিধি দলের প্রধান আজিজ শরীফ, দক্ষিণ ভিয়েতনামের অস্থায়ী বিপ্লবী সরকারের প্রতিনিধি মি. লি খান ও গায়েনার মিসেস কেনিথ জাগান প্রমুখ।

আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে সাম্রাজ্যবাদী দেশগুলো ছিল তদানীন্তন সময়ে শান্তি স্থাপনের ঘোর অন্তরায়। ফলে বঙ্গবন্ধুকে শান্তি স্থাপনের প্রচেষ্টায় সাহসী ভূমিকা গ্রহণ করতে দেখা যায়। যেমন ১৯৭৩ সালের ৯ সেপ্টেম্বর আলজেরিয়ায় বঙ্গবন্ধু অত্যন্ত সাহসের সাথে বলেছিলেন : ‘জাতীয় মুক্তি সংগ্রাম ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য যাঁহারা জীবন বিসর্জন দিয়াছেন, আলজেরিয়া, ভিয়েতনাম তথা বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের সেইসব বীর শহীদের প্রতি আমি শ্রদ্ধা জানাই। আমি শহীদদের নামে প্রতিজ্ঞা করিতেছি যে, আফ্রিকা, এশিয়া ও ল্যাটিন আমেরিকায় মুক্তিসংগ্রামরত মানুষের পিছনে বাংলাদেশ সর্বদাই থাকিবে।’

শুধু জুলিও কুরি পদকই নয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যে যে সম্মান ও মর্যাদা পেয়েছেন, তা অন্য কোন বাঙালি বা এশিয়াবাসীর পক্ষে জোটেনি। বাংলাদেশ ধন্য, বঙ্গবন্ধুর মতো মহামানব এদেশে জন্মেছেন। বাঙালি জাতি গর্বিত, তিনি বাংলাদেশকে নিয়ে গেছেন বিশ্ব দরবারে।

১৯৭৪ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বঙ্গবন্ধুর অসাধারণ বক্তৃতা বিশ্বনেতাদের মন জয় করে। অত্যন্ত আবেগময় ভাষায় বঙ্গবন্ধু তাঁর বক্তৃতার শুরুতে মানুষের শান্তি ও ন্যায়বিচার লাভের আকাক্সক্ষার কথা বলেছিলেন।

বঙ্গবন্ধুর আজীবন রাজনীতি ছিল বিশ্বজনীন মানবতাবাদী জীবনদর্শনের রূপরেখার প্রতিফলন। এ সকল কারণে অতি অল্প সময়ের মধ্যে (১৯৭১-১৯৭৫) বিশ্বনেতৃত্ব বঙ্গবন্ধুর রাজনীতির নেতৃত্ব, বিচক্ষণতা বুঝতে সক্ষম হয়েছিলেন। যে কারণে তিনি সমগ্র বিশ্বের রাজনীতিবিদদের বা রাষ্ট্রনায়কদের শ্রদ্ধার আসনে বসতে পেরেছিলেন। সদ্যস্বাধীনতাপ্রাপ্ত তৃতীয় বিশ্বের মতো একটি দেশের রাষ্ট্রনায়ক হয়েও বিশ্বনেতৃত্বের কাছে তিনি শ্রদ্ধার অর্ঘ্য পেয়েছিলেন।

লেখক : অধ্যাপক, ইতিহাস বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।