স্পিকার হিসেবে ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর ১০ বছর পূর্তি

স্পিকার হিসেবে ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর ১০ বছর পূর্তি হচ্ছে আজ রবিবার (৩০ এপ্রিল)।  চলতি মেয়াদে তার আরও ৯ মাস দায়িত্ব পালনের সুযোগ রয়েছে।

বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম নারী স্পিকার হিসেবে ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী ২০১৩ সালের ৩০ এপ্রিল নবম জাতীয় সংসদের স্পিকার নির্বাচিত হন।  ৪৬ বছর বয়সে তিনি সর্বকনিষ্ঠ স্পিকার হিসেবে অ্যাডভোকেট আবদুল হামিদের (সদ্যবিদায়ী রাষ্ট্রপতি) স্থলাভিষিক্ত হন।  এরপর দশম ও চলতি একাদশ জাতীয় সংসদেও তিনি স্পিকার নির্বাচিত হন।

দেশের ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ ও প্রথম নারী স্পিকার হিসেবে ড. শিরীন শারমিন ইতোমধ্যে দীর্ঘ মেয়াদে দায়িত্ব পালনের রেকর্ড করেছেন।  স্পিকার হিসেবে তিনি সর্বোচ্চ তিন টার্ম ও টানা ১০ বছর দায়িত্ব পালন করেছেন।

স্পিকার নির্বাচিত হওয়ার আগে শিরীন শারমিন চৌধুরী বাংলাদেশ সরকারের মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ছিলেন।  এর আগে ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে শিরীন শারমিন সংরক্ষিত আসনে মহিলা এমপি নির্বাচিত হন।  তিনি ২০১৩ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনে রংপুর-৬ আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।

১৯৬৬ সালের ৬ অক্টোবর জন্মগ্রহণকারী শিরীন শারমিন চৌধুরী তুখোড় মেধাবী ছাত্রী ছিলেন।  তিনি ১৯৮৩ সালে ঢাকা বোর্ডে থেকে এসএসসি পরীক্ষায় সম্মিলিত মেধা তালিকায় প্রথম স্থান অধিকার এবং ১৯৮৫ সালে এইচএসসিতে সম্মিলিত মেধা তালিকায় দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন।  তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি ও এলএলএম-এ প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হন।

তিনি একজন কমনওয়েলথ স্কলার।  ২০০০ সালে তিনি যুক্তরাজ্যের এসেক্স বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনে পিএইচডি লাভ করেন। তার গবেষণার বিষয়বস্তু ছিল সাংবিধানিক আইন ও মানবাধিকার।  তিনি প্রথম এবং একমাত্র বাংলাদেশি হিসেবে ২০১৪ সালে কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারপারসন নির্বাচিত হন।