খানাখন্দে ঝুঁকিপূর্ণ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক, দুর্ভোগে চালক-যাত্রীরা

টানা বর্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়েছে দেশের অন্যতম ব্যস্ত সড়ক ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বিভিন্ন অংশ। সড়কের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হওয়ায় ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে যাত্রী ও পণ্যবাহী যানবাহন। এতে বাড়ছে দুর্ঘটনার আশঙ্কা, পাশাপাশি ব্যাহত হচ্ছে যান চলাচল ও পণ্য পরিবহন।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সরেজমিনে দেখা যায়, চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার সলিমপুর, ভাটিয়ারী, কুমিরা, বারআউলিয়া, ফকিরহাট, উপজেলা গেট, বাঁশবাড়িয়া, বাড়বকুণ্ড, ছোট দারোগারহাট ও বড় দারোগারহাটসহ মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে কার্পেটিং উঠে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।

গত সপ্তাহের টানা ভারী বৃষ্টিতে এসব গর্তে পানি জমে থাকায় চালকদের জন্য গর্তের গভীরতা নির্ণয় করা কঠিন হয়ে পড়ছে। ফলে অনেক সময় যানবাহনের চাকা গর্তে পড়ে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিচ্ছে এবং ঘটছে দুর্ঘটনা। এতে দীর্ঘ যানজটের পাশাপাশি ভোগান্তিতে পড়ছেন দূরপাল্লার যাত্রীরা।

এ পরিস্থিতির প্রভাব পড়েছে চট্টগ্রাম বন্দরে পণ্য পরিবহন এবং আশপাশের শিল্পকারখানার সরবরাহ ব্যবস্থাতেও। বিভিন্ন স্থানে যানবাহন বিকল হয়ে পড়ায় স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।

মহাসড়ক ব্যবহারকারী চালকরা জানান, বৃষ্টির পানির কারণে কোথায় ছোট আর কোথায় বড় গর্ত রয়েছে তা বোঝা যায় না। ফলে হঠাৎ গর্তে পড়ে যানবাহনের যন্ত্রাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অনেক সময় সড়কে তাৎক্ষণিকভাবে মেরামতের ব্যবস্থা না থাকায় দীর্ঘ সময় যানজট সৃষ্টি হচ্ছে।

বারআউলিয়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল হক বলেন, টানা বৃষ্টির কারণে মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে কার্পেটিং উঠে গর্ত তৈরি হয়েছে। দুর্ঘটনা এড়াতে চালকদের সতর্কতার সঙ্গে ধীরগতিতে যানবাহন চালানোর পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলী আবু সালেহ ফয়সাল জানান, বৃষ্টিপাত কমে এলে ক্ষতিগ্রস্ত অংশগুলোতে বিটুমিন দিয়ে গর্ত ভরাট এবং প্রয়োজনীয় মেরামতকাজ দ্রুত শুরু করা হবে।