ঈদে লঞ্চ চলাচল নির্বিঘ্ন করতে সরকারের নানা পদক্ষেপ

ঈদের সময় যাত্রীবাহী নৌযান বা লঞ্চ চলাচল নির্বিঘ্ন করতে নানা পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার।  বৃহস্পতিবার (৩০ মার্চ) নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে নৌপথে সুষ্ঠুভাবে নৌযান চলাচল সংক্রান্ত ঈদ ব্যবস্থাপনা সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (৩০ মার্চ) দুপুরে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে নৌপথে সুষ্ঠুভাবে নৌযান চলাচল সংক্রান্ত ‘ঈদ ব্যবস্থাপনা সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান। সভায় নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী  সভাপতিত্ব করেন।

খালিদ মাহমুদ বলেন, ঈদের সময় লঞ্চে বাড়তি ভাড়া নেয়ার অভিযোগ সঠিক নয়। লঞ্চের ভাড়া নির্ধারণ করা আছে। ঈদের সময় লঞ্চে সেই নির্ধারিত ভাড়া নেয়া হয়। বছরের অন্য সময় কম ভাড়া নেয়া হয়। পুরনো লঞ্চগুলো মালিকরা এরইমধ্যে সরিয়ে ফেলেছে জানিয়ে খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, আরও আধুনিক মানের লঞ্চ সংযুক্ত হচ্ছে বলে আমরা দেখতে পাচ্ছি। অনেকে আশঙ্কা করেছিল পদ্মা সেতু হয়ে গেলে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ আর লঞ্চ ব্যবহার করবে না। কিন্তু কথাটা ভুল প্রমাণিত হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রতিবছরের মতো এবারও ঈদের যাত্রীসেবা নিয়ে বৈঠক করেছি। আমাদের ঈদের সম্ভাব্য তারিখ ২২ এপ্রিল। ঈদের আগের তিনদিন ও পরের তিনদিন (ঈদের দিনসহ সাতদিন) পচনশীল পণ্যবাহী ট্রাক ছাড়া ফেরিতে সাধারণ ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান পারাপার বন্ধ থাকবে।’

তিনি বলেন, আমাদের বন্দরগুলোতে যাত্রীসেবার জন্য যে ওয়াশরুম সুবিধা আছে, সেগুলোর মান আরও বাড়াতে হবে। আরিচা, কাজিরহাট, পাটুরিয়া ও দৌলতদিয়ায় আমরা ফেরি সংখ্যা বাড়িয়ে দিচ্ছি। হরিনা ও আলুবাজারেও ফেরি সংখ্যা বাড়ানো হবে। সন্দীপ ও হাতিয়ার মতো উপকূলীয় এলাকায় সি ট্রাক চালু থাকবে। তাজউদ্দিন ও আইভি রহমান সেখানে নিয়মিত চলাচল করবে। কাজেই পবিত্র ঈদুল ফিতর সামনে রেখে সাধারণ মানুষ নির্বিঘ্নে নৌসেবাটা নিতে পারে, সে বিষয়ে আমরা আন্তরিক।