ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়াসহ মশাবাহিত রোগের বিস্তার রোধে নগরীর ৭ ও ২ নম্বর ওয়ার্ডে মশক নিধন ও জনসচেতনতামূলক বিশেষ ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিচালনা করেছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক)।
কর্মসূচির আওতায় দুই ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল চিহ্নিত করে তা ধ্বংস করা হয়। একই সঙ্গে নালা-নর্দমা, ডোবা, জলাবদ্ধ স্থান, নির্মাণাধীন স্থাপনা ও পরিত্যক্ত জায়গায় জমে থাকা পানিতে লার্ভিসাইড প্রয়োগ করা হয়। পাশাপাশি মশক নিধনে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম পরিচালনা করেন চসিকের কর্মীরা।
এ সময় স্থানীয় বাসিন্দাদের মশার প্রজননস্থল সম্পর্কে সচেতন করা হয়। একই সঙ্গে নিজ নিজ বাসাবাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা এবং কোথাও পানি জমতে না দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে কুলসুম, চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক জিয়াউর রহমান জিয়া, মশক ও ম্যালেরিয়া নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা শরফুল ইসলাম মাহি, পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা আবু তাহেরসহ চসিকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
চসিক কর্মকর্তারা জানান, নগরীতে ডেঙ্গু ও অন্যান্য মশাবাহিত রোগের বিস্তার রোধে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে ধারাবাহিকভাবে বিশেষ ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিচালনা করা হচ্ছে। শুধু কীটনাশক বা ওষুধ প্রয়োগের ওপর নির্ভর না করে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস এবং নাগরিকদের সচেতন করার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
কর্মকর্তারা বলেন, মশক নিধন কার্যক্রমকে কার্যকর করতে সিটি কর্পোরেশনের পাশাপাশি নগরবাসীকেও দায়িত্বশীল হতে হবে। বাসাবাড়ি, ছাদ, আঙিনা ও আশপাশে জমে থাকা পানি নিয়মিত অপসারণ এবং পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে হবে। চসিক ও নাগরিকদের সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমেই ডেঙ্গু ও অন্যান্য মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণে টেকসই সাফল্য অর্জন সম্ভব।