রাজনীতি, চাঁদাবাজি আর আধিপত্যের লড়াই; দেশের নানা প্রান্তে একের পর এক হত্যাকাণ্ডে বাড়ছে উদ্বেগ। ৩ মাসে খুন ৯১৫টি। প্রকাশ্যে গুলি, সন্ত্রাসী হামলায় প্রশ্ন উঠছে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব সংঘাতের পেছনে আদর্শিক দ্বন্দ্বের চেয়ে বেশি কাজ করছে অর্থনৈতিক স্বার্থ ও ক্ষমতার প্রতিযোগিতা। পুলিশ বলছে, অপরাধপ্রবণ এলাকা চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
দিনদুপুরে শত শত মানুষের সামনে গুলি করে হত্যা করা হয় চট্টগ্রামের রাউজানের পাহাড়তলির বাসিন্দা ও রাঙ্গুনিয়া উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মাকসুদুল হক চৌধুরী মাসুদকে।এর একদিন আগেই খুলনার লবণচরায় নিজ বাড়ির সামনে গুলিতে নিহত হন বিএনপি নেতা রফিকুল ইসলাম।একই দিনে রাজধানীর পশ্চিম রামপুরায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে আহত হন তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী ইয়াসিন খান পলাশ। আর ৮ জুন মৌচাকে আধিপত্য বিস্তার ও চাঁদাবাজির বিরোধে খুন হন সাবেক স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা বিল্লাল হোসেন।
বিশ্লেষকদের মতে, রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করা হলেও সংঘাতের মূল কারণ আদর্শিক নয়; বরং অর্থনৈতিক ও ক্ষমতাকেন্দ্রিক স্বার্থ।
সমাজ ও অপরাধ বিশেষজ্ঞ ড. তৌহিদুল ইসলাম বলেন, যখন দলের কোন নেতাকর্মীরা চাদাবাজি করা, অপরাধ করা, রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার করা,নির্বাচন কিংবা পদপদবীর প্রসঙ্গগুলোতে নানাভাবে আধিপত্য বিস্তারের কাজগুলো করে তখনই আসলে হত্যাকাণডর ঘটনাগুলো ঘটে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিমিনোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান, রেজাউল করিম সোহাগ বলেন, এখানে একটা গ্রুপস ডেভলপমেন্ট হয়ে যায়।এই যেসব গ্রুপস এর মাধ্যমে তাদের যখন একটা স্বার্থের সংঘাত হয় তখন তারা যাদেরকে প্রতিপক্ষ মনে করে তখন তাকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য এ ধরনের কাজগুলো এখানে সংঘটিত হয়ে থাকে যার ফলশ্রুতিতে এখানে রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডগুলো অনেক বেশি বেড়ে যায়।
পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য বলছে, গত তিন মাসে সারা দেশে ৯১৫টি হত্যার ঘটনা ঘটেছে। আর হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটির হিসাবে, একই সময়ে ২৭৫টি রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত হয়েছেন ২৯ জন। ঢাকা রেঞ্জেও পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে ঢাকা রেঞ্জে ২০৭টি হত্যার ঘটনা ঘটেছে। শুধু রাজধানীতেই খুন হয়েছেন ৫৭ জন।
বিশেষজ্ঞদের শঙ্কা, দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া না হলে সহিংসতা আরও বাড়তে পারে।
সমাজ ও অপরাধ বিশেষজ্ঞ ড. তৌহিদুল ইসলাম বলেন, দলীয় পদক্ষেপ এবং আইনের কঠোর প্রয়োগের মধ্য দিয়ে যদি পরিবর্তন করা সম্ভব না হয় তাহলে এই হত্যাকাণ্ড, রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড, রাজনৈতিক সংঘাত কমার কোন লক্ষণ তো দেখি না বরং জ্যামিতিক হারে বাড়ার একটা আশঙ্কা এখানে থেকে যায়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিমিনোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান রেজাউল করিম সোহাগ বলেন, এই সমস্ত রাজনৈতিক হত্যাকাণডের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক অপরাধের ক্ষেত্রে সবসময় রুলিং পার্টিতে যারা থাকেন তাদেরকে এগিয়ে আসতে হবে। কারণ সবচাইতে বড় প্রিভেন্টিভ যে মেজারমেন্ট সেটা তাদের হাতেই থাকে।
অপরাধ কমাতে শুধু নজরদারিই বাড়ানো হয়নি, বিশেষ অভিযানও চলছে, বলছে পুলিশ।
একজন পুলিশ কর্মকর্তা জানান , আমাদের যে অপরাধ সে অপরাধের প্রকারভেদে কখনো কোন থানায় আমাদের বেশি মনোযোগ দিতে হয় আবার কখনো কোন থানায় আমরা হয়তো কম মনোযোগ দিতে হয়।
অপরাধপ্রবণ এলাকা চিহ্নিত করে, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলেও জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
সমাজ ও অপরাধ বিশেষজ্ঞ ড. তৌহিদুল ইসলাম বলেন, যখন দলের কোন নেতাকর্মীরা চাদাবাজি করা, অপরাধ করা, রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার করা,নির্বাচন কিংবা পদপদবীর প্রসঙ্গগুলোতে নানাভাবে আধিপত্য বিস্তারের কাজগুলো করে তখনই আসলে হত্যাকাণডর ঘটনাগুলো ঘটে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিমিনোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান, রেজাউল করিম সোহাগ বলেন, এখানে একটা গ্রুপস ডেভলপমেন্ট হয়ে যায়।এই যেসব গ্রুপস এর মাধ্যমে তাদের যখন একটা স্বার্থের সংঘাত হয় তখন তারা যাদেরকে প্রতিপক্ষ মনে করে তখন তাকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য এ ধরনের কাজগুলো এখানে সংঘটিত হয়ে থাকে যার ফলশ্রুতিতে এখানে রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডগুলো অনেক বেশি বেড়ে যায়।
পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য বলছে, গত তিন মাসে সারা দেশে ৯১৫টি হত্যার ঘটনা ঘটেছে। আর হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটির হিসাবে, একই সময়ে ২৭৫টি রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত হয়েছেন ২৯ জন। ঢাকা রেঞ্জেও পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে ঢাকা রেঞ্জে ২০৭টি হত্যার ঘটনা ঘটেছে। শুধু রাজধানীতেই খুন হয়েছেন ৫৭ জন।
বিশেষজ্ঞদের শঙ্কা, দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া না হলে সহিংসতা আরও বাড়তে পারে।
সমাজ ও অপরাধ বিশেষজ্ঞ ড. তৌহিদুল ইসলাম বলেন, দলীয় পদক্ষেপ এবং আইনের কঠোর প্রয়োগের মধ্য দিয়ে যদি পরিবর্তন করা সম্ভব না হয় তাহলে এই হত্যাকাণ্ড, রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড, রাজনৈতিক সংঘাত কমার কোন লক্ষণ তো দেখি না বরং জ্যামিতিক হারে বাড়ার একটা আশঙ্কা এখানে থেকে যায়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিমিনোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান রেজাউল করিম সোহাগ বলেন, এই সমস্ত রাজনৈতিক হত্যাকাণডের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক অপরাধের ক্ষেত্রে সবসময় রুলিং পার্টিতে যারা থাকেন তাদেরকে এগিয়ে আসতেহবে। কারণ সবচাইতে বড় প্রিভেন্টিভ যে মেজারমেন্ট সেটা তাদের হাতেই থাকে।
অপরাধ কমাতে শুধু নজরদারিই বাড়ানো হয়নি, বিশেষ অভিযানও চলছে, বলছে পুলিশ।
ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ জানান, আমাদের যে অপরাধ সে অপরাধের প্রকারভেদে কখনো কোন থানায় আমাদের বেশি মনোযোগ দিতে হয় আবার কখনো কোন থানায় আমরা হয়তো কম মনোযোগ দিতে হয়।
অপরাধপ্রবণ এলাকা চিহ্নিত করে, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলেও জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।