আবারো জয় আফগানের

বিশ্বকাপে একের পর এক রোমাঞ্চ ছড়িয়েই যাচ্ছে আফগানিরা। ইংল্যান্ড ও পাকিস্তান বধের পর এবার খেলুড়ে দেশ শ্রীলঙ্কাকেও হারালো রশিদ খানরা।

ব্যাটিং সহায়ক পিচে কুশল মেন্ডিসদের দেয়া ২৪২ রানের লক্ষ্যমাত্রা অনায়ায়েসই টপকে গেল ইব্রাহিম জাদরানরা। তবে প্রথম ওভারেই রহমানুল্লাহ গুরবাজকে শূন্য রানে আউট করে আফগানদের কিছুটা শঙ্কায় ফেলেন মাধুশাঙ্কা।

তবে দ্বিতীয় উইকেট হিসেবে দলের হাল ধরেন অভিজ্ঞ ইব্রাহিম জাদরান ও রহমত শাহ। ৯৭ বলে ৭৩ রান নিয়ে জুটি গড়ে বিপর্যয় সামাল দেন। তবে ১৭তম ওভারে তাদের জুটি ভাঙেন সেই মাধুশাঙ্কা। ৫৭ বলে ৩৯ রান করে করুনারত্নের হাতে ক্যাচ দিয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরেন ইব্রাহিম জাদরান।

তৃতীয় উইকেট জুটিতে হাশমতুল্লাহ শহিদির সঙ্গে আবারো অর্ধশত রানের জুটি গড়েন রহমত শাহ। এক প্রান্ত আগলে রেখে ২৫তম ওভারে নিজের ২৫তম ওয়ানডে অর্ধশতক তুলে নেন এই ডান হাতি ব্যাটার। তবে রাজিথার বলে করুনারত্নের হাতে ক্যাচ দিয়ে ৭৪ বলে ৬২ রান করে ফেরেন তিনি।

৪র্থ উইকেট জুটিতেই মূলত খেলাটা আফগানিস্তানের অনুকূলে নিয়ে আসেন শহিদি ও আজমতউল্লাহ। দুর্দান্ত ব্যাটিং করে দলের জয় নিশ্চিত করেন এই দুই ব্যাটার। দুই জনই তুলে নেন অর্ধশতক। শহিদি ৫৮ ও আজমতউল্লাহ ৭৩ রানে অপরাজিত থেকে ম্যাচ শেষ হয় ।

লঙ্কান বোলারদের ভেতর মাধুশাঙ্কা ২টি উইকেট ও রাজিথা ১টি উইকেট নেন।

এর আগে পুনেতে টস হেরে ব্যাটিং শুরু করেন লঙ্কানরা। কিন্তু দলীয় ২২ রানের মাথায় উদ্বোধনী জুটি ভেঙে দেন ফজলহক ফারুকি। দিমুথ করুনারত্নে (২১ বলে ১৫) পড়েন লেগবিফোর উইকেটের ফাঁদে।

শুরুর সেই ধাক্কা অনেকটাই সামলে নিয়েছিলেন পাথুম নিশাঙ্কা আর কুশল মেন্ডিস। তাদের ৬২ রানের জুটিটি ভাঙে নিশাঙ্কাকে আজমতউল্লাহ ওমরজাই তুলে নিলে। ৬০ বলে ৫ বাউন্ডারিতে ৪৬ রান করেন নিশাঙ্কা।

এরপর কুশল মেন্ডিস আর সাদিরা সামারাবিক্রমা গড়েন ৫০ রানের জুটি। একটা সময় ২ উইকেটেই ১৩৪ রান তুলে ফেলেছিল লঙ্কানরা। সেখান থেকে হঠাৎ ব্যাটিং ধস।

একে একে আউট হন কুশল মেন্ডিস (৫০ বলে ৩৯), সাদিরা সামারাবিক্রমা (৪০ বলে ৩৬), ধনঞ্জয়া ডি সিলভা (২৬ বলে ১৪), চারিথ আসালাঙ্কা (২৮ বলে ২২)। রানআউট হন দুশমন্ত চামিরা (১)। ৭ উইকেটে ১৮৫ রানে পরিণত হয় শ্রীলঙ্কা। সেখান থেকে ম্যাথিউস আর থিকসানা দলকে মোটামুটি সম্মানজনক একটা পর্যায়ে নিয়ে যান। অভিজ্ঞ অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস ২৩ আর লোয়ার অর্ডারের মাহিশ থিকসানা ২৯ রান না করলে আরও বড় বিপদে পড়তো লঙ্কানরা।

আফগান পেসার ফজলহক ফারুকি ৩৪ রানে নেন ৪টি উইকেট। ২টি উইকেট শিকার মুজিব উর রহমানে