আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপির আন্দোলন কতদূর যাবে, সেটা তাদের কর্মকাণ্ডে প্রমাণিত হয়েছে। বিএনপি নেতারাতো পালিয়ে আছে, অবরোধে নেতৃত্বে দেবে কে?
ওবায়দুল কাদের বলেন, বিরোধীদলের ব্যর্থ আন্দোলনের মুখে নির্বাচনমুখী অবস্থানই আমাদের বিজয়। আমরা শান্তিপূর্ণ অবস্থায়, সতর্ক পাহারায় থাকব। বিএনপির আগের অবরোধ কবে শেষ হয়েছে, জানি না। বিএনপি নেতারাতো পালিয়ে আছে, অবরোধে নেতৃত্বে দেবে কে?
তিনি বলেন, এত নৃশংসভাবে কর্তব্যরত পুলিশকে হত্যা করতে পারে। সেটাই বিএনপির আসল রূপ। প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলা করেছে।
বিএনপির লক্ষ্য নির্বাচনকে বানচাল করা, অংশ নেওয়া নয়। নির্বাচন চাইলে তারা এমন সন্ত্রাস করত না বলে মন্তব্য করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।
দলের সাধারণ সম্পাদক আশা প্রকাশ করেন, দেশের বর্তমান অবস্থার নিরিখে আগামী জাতীয় নির্বাচনেও আওয়ামী লীগ বিপুল ভোটে বিজয়ী হবে। টানা চতুর্থ বারের মতো।
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ২৮ অক্টোবর শত উসকানি সত্ত্বেও শান্তি ও উন্নয়ন সমাবেশ সফলভাবে সম্পন্ন করায় দলীয় নেতাকর্মীদের ধন্যবাদ জানান ওবায়দুল কাদের। ২৮ অক্টোবর দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ভিক্টরি মনোভাব দেখেছি, এটাই আমাদের বিজয়। এটাই বিরোধীদের ব্যর্থ আন্দোলনের বিরুদ্ধে নির্বাচনমুখী আমাদের বিজয়ের অভিযাত্রা। এসময় দলে শৃঙ্খলা রক্ষায় গুরুত্বরোপ করেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক।
ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি কর্মীরা এখন বলছে তারেক রহমান ভুয়া, মির্জা ফখরুলও ভুয়া। এক দফা ও আন্দোলন ভুয়া। কান টানলাম জীবনেও আর আসব না। এই দল করব না, কান ধরে বলেছে।
বিএনপির আন্দোলনের পতন গোলাপবাগে শুরু হয়েছে।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, ডাক্তার মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডক্টর হাছান মাহমুদ, মাহবুব উল আলম হানিফ, আফম বাহাউদ্দীন নাছিম সহ কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সম্পাদকমণ্ডলী, ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণ ও সহযোগী সংগঠনের সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদকবৃন্দ।