৩৮৩ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করছে বাংলাদেশ

৩৮৩ রানের বিশাল টার্গেটে ব্যাট করতে নেমেছে বাংলাদেশ। ইনিংসের গোড়াপত্তন করতে এসেছেন তানজিদ হাসান তামিম ও লিটন দাস।

৩৮২ রানে থামলো দক্ষিণ আফ্রিকা:
কুইন্টন ডি কক, এইডেন মার্করাম, হেনরিক ক্লাসেন ও ডেভিড মিলার ঝড়ে ৫০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ৩৮২ রান সংগ্রহ করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। জিততে বাংলাদেশকে করতে হবে ৩৮৩ রান।

ব্যাট হাতে ডি কক ১৪০ বলে ১৫টি চার ও ৭ ছক্কায় করেন সর্বোচ্চ ১৭৪ রান। মার্করাম ৭ চারে করেন ৬০ রান। ঝড় তুলে ক্লাসেন মাত্র ৪৯ বলে ২টি চার ও ৮ ছক্কায় করেন ৯০ রান। আর মিলার ১৫ বলে ১ চার ও ৪ ছক্কায় করেন অপরাজিত ৩৪ রান।

জুটির হিসেবে সবচেয়ে ভয়ঙ্কর ছিল মিলার-ক্লাসেন জুটি। তারা দুজন মাত্র ২৫ বলে যোগ করেন ৬৫ রান। এ ছাড়া ডি কক-ক্লাসেন জুটি যোগ করেন ৮৭ বলে ১৪২ রান। তার আগে ডি কক-মার্করাম যোগ করেন ১৩৭ বলে ১৩১ রান। উদ্বোধনী জুটিতে ডি কক ও রেজা হেনড্রিকস ৩৭ বলে তোলেন ৩৩ রান।

বল হাতে সবচেয়ে বেশি রান দিয়েছেন মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি ৯ ওভারে দেন ৭৬ রান। কোনো উইকেট পাননি। শরীফুল ইসলামও ৯ ওভারে ৭৬ রান দিয়ে ১ উইকেট নেন। তবে ইকোনোমি হিসেবে সবচেয়ে বেশি রান দেন হাসান মাহমুদ। তিনি ৬ ওভারে দেন ৬৭ রান। উইকেট নেন ডি কক ও ক্লাসেনের। এছাড়া সাকিব ৯ ওভারে ৬৯ রানে ১ উইকেট, মিরাজ ৯ ওভারে ৪৪ রান দিয়ে ১টি উইকেট নেন। নাসুম আহমেদ ৫ ওভারে ২৭ ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ৩ ওভারে ২০ রান দিয়ে উইকেটশূন্য থাকেন।

শেষ মুহূর্তে ক্লাসেন ঝড় থামালেন হাসান:
ক্লাসেন ঝড়ের সামনে অসহায় ছিলেন বাংলাদেশের বোলাররা। মাত্র ৪৮ বলে ২ চার ও ৮ ছক্কায় ৯০ রান তুলে ফেলেন। শেষ ওভারে তাকে থামান হাসান মাহমুদ। ছক্কা মারতে গিয়ে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের হাতে ধরা পড়েন তিনি।

 

ঝড় তুলে ফিরলেন ডি কক:
সেঞ্চুরির পর ব্যাট হাতে রীতিমতো ঝড় তুলেছিলেন ডি কক। সাকিব আল হাসানের এক ওভারেই নেন ২২ রান। শরিফুলের ওভারে ডি কক ক্লাসেন নেন ১৭ রান। ৮৭ বলে তারা দুজন তোলেন ১৪২ রান। অবশ্য হাসান মাহমুদ এসে ডি কক ঝড় থামান। ৪৬তম ওভারে দলীয় ৩০৯ রানের মাথায় হাসান মাহমুদকে ডিপ ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্ট দিয়ে উড়িয়ে মারতে গিয়ে নাসুম আহমেদের হাতে ধরা পড়েন ডি কক। ১৪০ বল খেলে ১৫টি চার ও ৭ ছক্কায় ১৭৪ রান করে যান তিনি।

শেষ মুহূর্তে ক্লাসেন ঝড় থামালেন হাসান:
ক্লাসেন ঝড়ের সামনে অসহায় ছিলেন বাংলাদেশের বোলাররা। মাত্র ৪৮ বলে ২ চার ও ৮ ছক্কায় ৯০ রান তুলে ফেলেন। শেষ ওভারে তাকে থামান হাসান মাহমুদ। ছক্কা মারতে গিয়ে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের হাতে ধরা পড়েন তিনি।

 

ঝড় তুলে ফিরলেন ডি কক:
সেঞ্চুরির পর ব্যাট হাতে রীতিমতো ঝড় তুলেছিলেন ডি কক। সাকিব আল হাসানের এক ওভারেই নেন ২২ রান। শরিফুলের ওভারে ডি কক ক্লাসেন নেন ১৭ রান। ৮৭ বলে তারা দুজন তোলেন ১৪২ রান। অবশ্য হাসান মাহমুদ এসে ডি কক ঝড় থামান। ৪৬তম ওভারে দলীয় ৩০৯ রানের মাথায় হাসান মাহমুদকে ডিপ ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্ট দিয়ে উড়িয়ে মারতে গিয়ে নাসুম আহমেদের হাতে ধরা পড়েন ডি কক। ১৪০ বল খেলে ১৫টি চার ও ৭ ছক্কায় ১৭৪ রান করে যান তিনি।

ডি কক-মার্করামে শতরান পেরিয়ে দ. আফ্রিকা:
৩৬ রানেই ২ উইকেট হারানো দক্ষিণ আফ্রিকা ঘুরে দাঁড়িয়েছে কুইন্টন ডি কক ও এইডেন মার্করামের ব্যাটে। তাদের দুজনের ব্যাটে ভর করে ২১ ওভারেই শতরান পেরিয়েছে প্রোটিয়ারা। ডি কক ৬২ ও মার্করাম ৩০ রান নিয়ে ব্যাট করছেন।

ডি ককের ফিফটিতে পাল্টা জবাব দিচ্ছে দক্ষিণ আফ্রিকা:
দ্রুত দুই উইকেট হারালও এক প্রান্ত আগলে রেখে বাংলাদেশকে পাল্টা জবাব দিচ্ছেন কুইন্টন ডি কক।হাসান মাহমুদকে শরীরের ওপর থেকে ঘুরিয়ে চার মেরে ফিফটিতে পৌছে গেছেন প্রোটিয়া ওপেনার। ৪৭ বলে এই বাঁহাতি স্পর্শ করলেন পঞ্চাশ। একই সঙ্গে এইডেন মার্করামের সঙ্গে তার জুটির পঞ্চাশ হলো ৫৮ বলে। হাসান মাহমুদের ওপর চড়াও হয়ে প্রথম ২ ওভারে নিয়েছেন ২২ রান। সর্বশেষ ৪ ওভারে রানের গতি বাড়ানোর আভাস দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা।

পাওয়ারপ্লেতে দক্ষিণ আফ্রিকা ৪৪/২

বিশ্বকাপে আগের ম্যাচগুলোয় প্রথম পাওয়ারপ্লেতে ঝড় তোলা দক্ষিণ আফ্রিকা বাংলাদেশের বিপক্ষে পঞ্চাশের ঘরও পার হতে পারেনি। তাদের সংগ্রহ ছিল ৪৪/২।

এবারের বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সফলতম প্রথম ১০ ওভার এটি। আগের ৪ ম্যাচে প্রতিপক্ষের স্কোর ছিল যথাক্রমে আফগানিস্তান (৫০/১), ইংল্যান্ড (৬১/০), নিউ জিল্যান্ড (৩৭/১) এবং ভারত (৬৩/০)।

মিরাজের ঘূর্ণিতে ফিরলেন ডুসেন, চাপে দক্ষিণ আফ্রিকা
মিরাজের গুডলেংথের বল। অফ স্টাম্পের দিকে সরে গিয়ে লেগ সাইডে ঘুরিয়ে খেলতে চেয়েছিলেন ফন ডার ডুসেন। তবে বল অতোটা বাউন্স খায়নি। ব্যস, সরাসরি প্যাডে আঘাত। অমনি জোরালো আবেদন। কালক্ষেপণ করেননি আম্পায়ার জোয়েল উইলসন। রিভিউ নিতে সাহস করেননি ডুসেন। ৭ বলে ফন ডার ডাসেন করেন ১ রান।

হেনড্রিকসকে বোল্ড করে ফেরালেন শরিফুল
দুর্দান্ত ইনসুইঙ্গার, ডিফেন্স করতেচেয়েছিলেন হেনড্রিকস। কিন্তু লাভ হলো না। ব্যাট-প্যাড ফাকি দিয়ে বল গিয়ে আঘাত হানলো স্টাম্পে। ছত্রখান করে দিল তিনটি কাঠি।ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠার আগেই বাংলাদেশকে গুরুত্বপূর্ণ উইকেট এনে দিলেন শরিফুল।০ রানেই জীবন পাওয়া দক্ষিণ আফ্রিকান ওপেনার১৯ বলে ১২ রান করে ফিরে গেছেন।

শূন্য রানে জীবন পেলেন হেনড্রিকস
ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই শূন্য রানে জীবন পেলেন দক্ষিণ আফ্রিকান ওপেনার রেজা হেনড্রিকস স্লিপে তার ক্যাচ ফেলেছেন তাজনিদ হাসান তামিম। হেনড্রিকস কাট করতে চেয়েছিলেন জোরের ওপর। তবে ক্যাচটি শুরুতে যেন বুঝেই উঠতে পারেননি তানজিদ। যতক্ষণে বুঝেছেন, নেওয়ার মতো অবস্থায় ছিলেন না। হাতে লেগে বেরিয়ে গেছে সেটি।

হৃদয়ের জায়গায় সাকিব
অবশেষে বাদ পড়লেন তাওহীদ হৃদয়। তার জায়গায় দলে ফিরেছেন নিয়মিত অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। সাকিব ফেরায় বাংলাদেশের বোলিং বিভাগে তিন পেসারের সঙ্গে থাকছে তিন স্পিনার।হাসান মাহমুদ, মোস্তাফিজুর রহমান, শরিফুল ইসলামের সঙ্গে আছেন মেহেদী হাসান মিরাজ ও নাসুম আহমেদ।

বাংলাদেশ একাদশ: লিটন দাস, তানজিদ হাসান, নাজমুল হোসেন, সাকিব আল হাসান (অধিনায়ক), মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ, মেহেদী হাসান মিরাজ, নাসুম আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমান, শরীফুল ইসলাম ও হাসান মাহমুদ

দক্ষিণ আফ্রিকা দলে এক পরিবর্তন
আজও দলে নেই দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক টেম্বা ভুমা। চোটের কারণে খেলতে পারছেন না লুঙ্গি এনগিডি। তার বদলে খেলছেন লিজাড উইলিয়ামস।

দক্ষিণ আফ্রিকা একাদশ: রিজা হেন্ডরিকস, কুইন্টন ডি কক, রেসি ফন ডার ডুসেন, এইডেন মার্করাম (অধিনায়ক), হাইনরিখ ক্লাসেন, ডেভিড মিলার, মার্কো ইয়ানসেন, জেরাল্ড কোয়েৎজি, কেশব মহারাজ, লুঙ্গি এনগিডি, কাগিসো রাবাদা

টস
ম্যাচ টস জিতে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক অ্যাইডেন মার্করাম। দক্ষিণ আফ্রিকার আমন্ত্রণে বোলিং করবে বাংলাদেশ।

 

বাংলাদেশের লক্ষ্য জয়
আসরে শুরুটা দুর্দান্ত হলেও ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারেনি বাংলাদেশ। আফগানিস্তানের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচ জয়ের পর খেই হারিয়ে ফেলে সাকিবের দল। তবে সেসব ঝেড়ে নতুন শুরু করতে চান বাংলাদেশ অধিনায়ক। সাকিবের চাওয়া একটা মোমেন্টাম, ‘আমাদের অনেক ভালো ক্রিকেট খেলতে হবে। দক্ষিণ আফ্রিকা ৪ ম্যাচের মধ্যে ৩ ম্যাচ জিতেছে। ওরা অনেক ভালো অবস্থায় আছে। এর মানে এটাই না যে সব শেষ। ৫ ম্যাচ বাকি আছে। এখানে জিততে পারলে ভালো মোমেন্টাম আসবে।’

বাংলাদেশের বিপক্ষে ‘শাস্তি’ পেতে চান না মার্করাম
ম্যাচে বাংলাদেশের বিপক্ষে নিশ্চিতভাবেই ফেভারিট দক্ষিণ আফ্রিকা। তবে মাঠে নামার আগেই নিজেদের জয়ী ভেবে নিতে রাজি নন দক্ষিণ আফ্রিকান ব্যাটসম্যান অ্যাইডেন মার্করাম। তিনি বলেছেন, বিশ্বকাপে এ যে কোনো দল যে কাউকে হারাতে পারে। আর এটা না মেনে নিজেদের ফেভারিট ভেবে তৃপ্তির ঢেকুর তুললেই পেতে হতে পারে শাস্তি।

মার্করাম বলেছেন, ‘আমার মনে হয় না আপনি কখনো বলতে পারেন যে কোনো দলের সঙ্গে খেলার এটাই সঠিক সময়। আমরা সবাই দেখেছি যে নির্দিষ্ট দিনে এই বিশ্বকাপে যে কোনো দল যে কাউকে হারাতে পারে। যদি এই বিষয়টা না মানেন, আমার মনে হয় ক্রিকেট আপনাকে এর শাস্তি দিতে পারে।’

পরিসংখ্যান স্বপ্ন দেখাচ্ছে বাংলাদেশকে
এই ম্যাচে বাংলাদেশ জয়ের আশা দেখতেই পারে। কেননা বিশ্বমঞ্চে মুখোমুখি লড়াইয়ে যে দক্ষিণ আফ্রিকার সমানে সমান বাংলাদেশ। বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত মোট চারবার বিশ্বকাপে একে অন্যকে মোকাবেলা করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা ও বাংলাদেশ। তাতে দুই দলই সমান ২টি করে জয় পেয়েছে। বাংলাদেশ জিতেছিল ২০০৭ ও ২০১৯ বিশ্বকাপে। বিপরীতে ২০০৩ ও ২০১১ বিশ্বকাপে বাংলাদেশকে পরাজয়ের স্বাদ দিয়েছিল প্রোটিয়ারা।

তবে সব মিলিয়ে এগিয়ে আছে প্রোটিয়ারাই। একদিনের ক্রিকেটে মুখোমুখি লড়াইয়ে বাংলাদেশ থেকে যোজন যোজন এগিয়ে রয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। দুই দল এখন পর্যন্ত ২৪টি ওয়ানডে ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে। তাতে দক্ষিণ আফ্রিকার জয় ১৮ ম্যাচে, বাংলাদেশ জিতেছে ৬টি। কোনো ম্যাচ পরিত্যক্ত কিংবা বাতিল হয়নি।

বাংলাদেশের জন্য সুখস্মৃতি হিসেবে ফিরে আসতে পারে দুই দলের মুখোমুখি হওয়া সবশেষ ওয়ানডে সিরিজও। যে সিরিজে গেল বছরের মার্চে দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতেই তাদেরককে ২-১ ব্যবধানে হারিয়েছিল লাল-সবুজের দল। এবার বিশ্বমঞ্চেও এটা পুনরাবৃত্তির পালা। তার উপর অনুপ্রেরণা হিসেবে থাকছে নেদারল্যান্ডসও। এবার শুধু একটা মোমেন্টাম পাবার পালা।