মার্কিন সেনাবাহিনীর সেক্রেটারি ড্রিসকলের পদত্যাগ নিয়ে ধোঁয়াশা

মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের সঙ্গে কয়েক মাস ধরে চলা উত্তেজনার পর পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন সেনাবাহিনীর সেক্রেটারি ড্যানিয়েল ড্রিসকল। সোমবার (৩১ আগস্ট) ড্রিসকলের পদত্যাগ নিয়ে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের একটি প্রতিবেদনের বিষয়ে জানতে চাইলে হোয়াইট হাউস তা অস্বীকার করেনি।
মুখপাত্র আনা কেলি এক বিবৃতিতে বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ‘মেক আমেরিকা স্ট্রং এগেইন’ কর্মসূচি এগিয়ে নিতে সেনাবাহিনী বিভাগে সেক্রেটারি ড্রিসকল অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি ঐতিহাসিক সামরিক অভিযানগুলোর সময় অসাধারণ নেতৃত্ব দিয়েছেন, প্রস্তুতি ও প্রাণঘাতী সক্ষমতার ওপর নতুন করে গুরুত্ব দিয়েছেন, রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে আলোচনায় সহায়তা করেছেন এবং আরও অনেক কিছু করেছেন।
তিনি আরও বলেন, কমান্ডার-ইন-চিফ এবং যুদ্ধমন্ত্রীর সঙ্গে তার কাজের ফলে মার্কিন সেনাবাহিনী এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি শক্তিশালী।
বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একজনের বরাতে রয়টার্স জানিয়েছে, হোয়াইট হাউস ড্রিসকলের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছে কি না, তা স্পষ্ট নয়। সেনাবাহিনী এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।
প্রতিরক্ষামন্ত্রী হেগসেথ এপ্রিল মাসে সেনাবাহিনীর চিফ অব স্টাফ র‍্যান্ডি জর্জকে বরখাস্ত করেন। এরপর জুন মাসে ইউরোপ ও আফ্রিকায় সেনাবাহিনীর কমান্ডার জেনারেল ক্রিস্টোফার ডোনাহু অপ্রত্যাশিতভাবে পদ ছেড়ে দেন।
হেগসেথ আরও বেশ কয়েকজন জেনারেল ও অ্যাডমিরালকে সরিয়ে দিয়েছেন, যাদের মধ্যে নৌবাহিনীর প্রধানও রয়েছেন।
এপ্রিল মাসে পেন্টাগন আকস্মিকভাবে ঘোষণা করে যে নৌবাহিনীর সেক্রেটারি জন ফেলান তার পদ ছেড়ে দিচ্ছেন। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে তিনিই প্রথম কোনো মার্কিন সামরিক বাহিনীর সার্ভিসের প্রধান, যিনি পদ ছেড়ে দেন।