হঠাৎ অস্থির পেঁয়াজের বাজার নিয়ন্ত্রণে মাঠে নেমেছে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত।
রবিবার (২১ মে) সকাল ১১টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) উমর ফারুকের নেতৃত্বে বাজার মনিটরিং ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালিত হয়।
এ সময় মূল্য তালিকা না থাকা এবং বেচাকেনার রশিদ না রাখায় বার আউলিয়া ট্রেডার্সকে ৫ হাজার টাকা এবং ফরিদপুর বাণিজ্যলয়কে ৩ হাজার টাকা এবং জাহেদ নামের একজন বেপারীকে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালত আড়তদারদের জরিমানার পাশাপাশি সতর্ক করেন। অস্বাভাবিক মূল্যে পেঁয়াজসহ ভোগ্যপণ্য বিক্রির অভিযোগ পেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উমর ফারুক বলেন, বাজারে বিভিন্ন দোকানে জরিমানা করার পাশাপাশি মনিটরিং অব্যাহত থাকবে। এছাড়াও বাজারে পাইকারি এবং খুচরা ব্যবসায়ীর মধ্যে মধ্যসত্বভোগী একটা সিন্ডিকেট আছে যারা পণ্যের দাম বৃদ্ধিতে অনেকাংশে দায়ী। এখানে ডিমান্ড অর্ডারের (ডিও) মাধ্যমে শুধু ১টি ক্রয় রশিদই বিক্রি হয় ১০ জনের কাছে। আমরা বিভিন্ন ট্রেডিংয়ের দোকান থেকে ৬ শতাধিক মধ্যসত্বভোগীর নাম এবং মোবাইল নম্বর সংগ্রহে নিয়েছি যাদের মাধ্যমে একটি পণ্যের দাম হাত বদল হয়ে হয়ে বাড়তে থাকে। এখানে মধ্যসত্বভোগীদের পাশাপাশি মিলমালিকদের কারসাজিও আছে। বিষয়টি গুরত্ব সহকারে নিয়ে এদের ট্রেড লাইসেন্স চেকিংসহ পরবর্তীতে এদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।