দ্বিতীয় দিনেও ফটিকছড়িতে হরতাল

নবগঠিত ৫০১ তম প্রশাসনিক উপজেলা ‘ফটিকছড়ি উত্তর’ সদর দপ্তর যৌক্তিক ও মধ্যবর্তী স্থানে স্থানান্তরের দাবিতে উপজেলার বাগানবাজার, দাঁতমারা ও নারায়ণহাট ইউনিয়নে দ্বিতীয় দিন সোমবারও (২৭ জুলাই) টানা ৪৮ ঘণ্টার হরতাল পালন করছেন ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা বাস্তবায়ন পরিষদের নেতাকর্মীরা। রোববার (২৬ জুলাই) সকাল থেকে শুরু হওয়া এই হরতালে কারণে মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে জনজীবনে স্থবিরতা নেমে এসেছে। চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ যাত্রী, পরিবহন শ্রমিক ও ব্যবসায়ীরা। নারায়ণহাট, দাঁতমারা, শান্তিরহাট, হেয়াঁকো, চিকনছড়া ও বাগানবাজার এলাকার অধিকাংশ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। হরতালে ফার্মেসি, ক্লিনিক এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছাড়াও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দোকান খোলা রাখা হয়েছে।
আন্দোলনকারীদের একজন মো. জাফর আহমদ বলেন, ‘ফটিকছড়ি উত্তর’ সদর দপ্তর উত্তরাঞ্চলেই হওয়া উচিত ছিল। তা না করে জালিয়াতির মাধ্যমে সদর দপ্তর ভুজপুর মৌজায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সামান্য কয়েক কিলোমিটারের ব্যবধানে দুটি উপজেলা সদর রাখার আদৌ কি কোনো যৌক্তিকতা আছে। এটা যে কোনো সাধারণ মানুষও মেনে নেবে না। আমাদের এ যৌক্তিক দাবি বাস্তবায়ন না হলে আন্দোলন আরও কঠোর হবে।
ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাঈদ মুহাম্মদ ইব্রাহিম বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মাঠে রয়েছে। শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’
সকাল থেকেই উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সড়ক অবরোধ, বিক্ষোভ মিছিল ও টায়ার জ্বালিয়ে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করছেন আন্দোলনকারীরা। এ কারণে ফেনী-খাগড়াছড়ি-ঢাকা আঞ্চলিক মহাসড়ক এবং পেলাগাজী দীঘি-হেয়াঁকো সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে।