কিস্তি প্রদান করলে বিএমডিএফ এর ১২৪ তম সভায় শ্রীপুর পৌরসভাকে “ঋনের কিস্তি খেলাপী” উল্লেখ করা হলো কেন ? এ প্রশ্নের সদুত্তর দিতে পারেনি কর্তৃপক্ষ!
একের পর এক অনিয়ম করে নিজেই নিজের রেকর্ড ভাঙছে শ্রীপুর পৌরসভা কর্তৃপক্ষ।সম্প্রতি শ্রীপুর পৌরসভা তাদের বাৎষরিক বাজেট প্রকাশ করে। যাতে পৌরসভার আয় ব্যয়ের পাশাপাশি ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনার বিষয়গুলো উপস্থাপন করা হয়।
গত ৫ জুন বুধবার পৌরসভার হলরুমে বাজেট অধিবেশন
শ্রীপুর পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ রফিকুল হাসানের সঞ্চালনায় ও হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা আঃ কুদ্দুস হাওলাদারের প্রস্তুতকৃত বাজেট উপস্থাপন করেন শ্রীপুর পৌরসভার মেয়র মোঃ আনিসুর রহমান।
এ সময় বাজেট ফরম-খ এর (ক) রাজস্ব হিসাব, উপাংশ-১ এর ১৭ নং ক্রমিকে উল্লেখ্য করা হয় যে, গতবছর অর্থাৎ ২০২২-২০২৩ অর্থবছরে “বিএমডিএফ এর ঋনের কিস্তি” বাবদ বাহাত্তর লক্ষ বিরান্নব্বই হাজার নয় টাকা পরিশোধ করা হয়েছে।
কিন্তু অনুসন্ধানকালে দেখা যায় বিএমডিএফ টাকা না পেয়ে গতবছর ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৩ তারিখে বিএমডিএফ/এল-০৬ (অংশ-২ )/২০১২/৪২০ নং স্মারকের পত্রের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয়ের পৌর-১ শাখায় একটি চিঠি দেয়। যাতে উল্লেখ্য করা হয়, বিএমডিএফ কর্তৃক অর্থায়নকৃত পৌরসভা/সিটি কর্পোরেশন সমূহের মধ্যে যে সকল পৌরসভা/সিটি কর্পোরেশনের নিকট ১-এর অধিক ঋনের কিস্তি অনাদায়ী হয়েছে তার একটি হালনাগাদ তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। উক্ত তালিকায় ৭৩ নাম্বারে শ্রীপুর পৌরসভার নাম রয়েছে।
এমতাবস্থায় প্রশ্ন দেখা দিয়েছে, বিএমডিএফ এর কিস্তি না দিলে বাজেটের উল্লেখিত টাকা গেলো কোথায় ? আবার কিস্তি প্রদান করলে বিএমডিএফ এর ১২৪ তম সভায় শ্রীপুর পৌরসভাকে “ঋনের কিস্তি খেলাপী” উল্লেখ করা হলো কেন ?
এবিষয়ে শ্রীপুর পৌরসভার হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা আঃ কুদ্দুস হাওলাদার বলেন, “কিস্তি খেলাপী থাকতে পারে, তবে টাকা দিয়েছি কিনা সেটিও কাগজ পত্র দেখে বলতে হবে”।