দীর্ঘদিন অচলবস্থায় পড়ে থাকা বান্দরবান শহরের বিভিন্ন এলাকার নিরাপত্তা ও অপরাধীদের চিহ্নিত করার জন্য স্থাপন করা ৭২টি সিসিটিভি ক্যামেরার মধ্যে ৬৮টিই অচল ছিল।
গত ১৩ মার্চ দৈনিক দেশ বর্তমান এর অনলাইন ও প্রিন্ট ভার্সনে ‘বান্দরবানে সিসিটিভি ক্যামেরায় পাখির বাসা, বাড়ছে অপরাধ’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের পর বান্দরবান পার্বত্য জেলার পুলিশ সুপার সৈকত শাহীনের সার্বিক সহযোগিতায় ৭২টি সিসিটিভি ক্যামেরার মধ্যে ৬৮টি পুনরায় সচল করা হয়েছে।
গত ১৯ মে (রবিবার) সকালে এই সিসিটিভি ক্যামেরাগুলি পুনরায় সচল করা হয়। এই ক্যামেরার মাধ্যমে বান্দরবানের শহরের অপরাধ দমন, অপরাধী শনাক্তে বান্দরবান পুলিশ সুপারের কার্যালয় থেকে চলবে সার্বক্ষণিক মনিটরিং।

এদিকে বান্দরবান শহরের বহুমুখী অপরাধ দমনে ও অপরাধী শনাক্তে সিসিটিভি ক্যামেরাগুলো পুনরায় সচল করায় পুলিশ সুপার সৈকত শাহীনকে কৃতজ্ঞতা জানায় বান্দরবানের সর্বস্তরের মানুষ। সেই সাথে বান্দরবান মুদি বাজার ব্যবসায়ীদের পক্ষে থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান সাধারণ সম্পাদক বিমল কান্তি দাশ।
বান্দরবান জেলার পুলিশ সুপার সৈকত শাহীন বলেন, বান্দরবান জেলা শহরের ৭২টি সিসিটিভি ক্যামরাগুলো শুভ উদ্বোধন করেছিলেন আমাদের পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রাক্তন মন্ত্রী ও বর্তমান পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির মাননীয় সভাপতি বীর বাহাদুর উশৈসিং এম.পি। তিনি উদ্বোধন করার পর সিসিটিভি ক্যামেরাগুলো ভালোই চলছিল এবং আমাদের ক্রাইম কন্ট্রোলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলছিল। এরপরে বন্যা এবং বৃষ্টির কারণে আমাদের সবগুলো ক্যামেরা নষ্ট হয়ে যায়। ১৫ দিনের প্রচেষ্টায় আমাদের পুলিশের সহযোগিতায় আমরা আবার নতুন করে ৭২টি সিসিটিভি ক্যামেরার মধ্যে ৬৮টি পুনরায় চালু করেছি ও ৪টি ক্যামেরা নষ্ট হয়ে যাওয়ায় সেগুলো চট্টগ্রামে পাঠানো হয়েছে মেরামত করার জন্য। এই ক্যামেরাগুলো পুনরায় চালু হওয়াতে পর্যটন নগরী বান্দরবান শহরের বহুমুখী অপরাধ দমনে ও অপরাধী শনাক্তে এবং স্মার্ট সেবা প্রদানে সহজ হবে।
উল্লেখ্য, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড বান্দরবান এর ২১-২২ অর্থ বছরের অর্থায়নে ৩৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে বান্দরবান শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কের মোড়ে মোড়ে ৭২টি সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো হয়েছিল।