রাউজানে নির্বিচারে কাটা হচ্ছে পাহাড়ি গাছ

রাউজান উপজেলার পাহাড়-টিলা বেষ্টিত একটি ইউনিয়নের নাম হলদিয়া। এই ইউনিয়নের প্রতিটি পাহাড় টিলায় চোখে পড়ে নানা প্রজাতির গাছ। এসব গাছ কেটে সাবাড় করা হচ্ছে।

হলদিয়া ইউনিয়নের ৯নম্বর ওয়ার্ডের আইলীখীল এলাকার পৃথক তিনটি স্থানে কেটে ফেলা হচ্ছে গাছ। নির্বিচারে গাছ কাটার ফলে একদিকে পরিবেশ ধ্বংস হচ্ছে। অন্যদিকে আশ্রয়স্থল হারাচ্ছে পশু-পাখি, কীটপতঙ্গ। তাই এখন আর দেখা মিলছে না শিয়াল, বেজি, খরগোশ, কাঠবিড়ালি, বানর, হনুমান, চিল, শকুন, ডাহুক, বাবুই, চড়ুইসহ আরও অনেক পশুপাখি।

মঙ্গলবার (২১ মে) সরেজমিন পরিদর্শনে গিয়ে জানা যায়, এলাকার খালেক ও তাঁর ভাইয়ের কাছ থেকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকায় বাগান ক্রয় করে গাছ কাটছেন ডাবুয়া ইউনিয়নের ভানু দে নামে এক ব্যক্তি। পাশের আরও একটি বাগান লাখ টাকায় বেচে দেন আলহাজ্ব ইসমাইল নামে আরেক ব্যক্তি। ওই বাগানের গাছ ক্রয় পরবর্তীতে কাটা শুরু করেছেন দিলীপ দে নামে এক জন। বন বিভাগ বা প্রশাসনের অনুমতি ছাড়াই শত শত গাছ কেটে নিলেও কারও কোনো মাথা ব্যথা নেই।

পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য রক্ষায় গাছ কাটা বন্ধ করতে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

এই প্রসঙ্গে জানতে চাইলে হলদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা শফিকুল ইসলাম বলেন, কোনো ধরনের অনুমতি ছাড়াই গাছগুলো কেটে ফেলা হয়। আমি সংবাদ পেয়ে গাছগুলো জব্দ করেছি। অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।