কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার খুটাখালীতে পূর্ব শক্রুতার বিরোধের জেরে শাহিনা আকতার নামে এক নারীর বসতবাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও স্বর্নালংকার লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। হামলাকারীদের বাধা দেওয়ায় তারা গৃহকর্মীসহ তার পরিবারের ৪ সদস্যদের পিটিয়ে আহত করে। তাদেরকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
সোমবার (২২ এপ্রিল) দিবাগত রাত ৮টায় উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড মধ্যম বাককুমপাড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ খবর দেয়া হলে রাতেই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। পরদিন গৃহকর্মী বাদী হয়ে ৬ জনকে অভিযুক্ত করে চকরিয়া থানায় লিখিত এজাহার দিয়েছেন।
অভিযুক্তরা হলেন- উপজেলার সাহারবিল মাইজঘোনা গ্রামের নুর মোহাম্মদের পুত্র তোফায়েল আহমদ, খুটাখালী ইউনিয়নের মধ্যম বাককুম পাড়ার মৃত মোহাম্মদ কালুর পুত্র বাদসা মিয়া, তার স্ত্রী মোবারেকা বেগম, একই এলাকার মৃত বদিউর রহমানের পুত্র ছলিম উদ্দিন, মোঃ কালুর পুত্র ইউছুপ আলী ও তার পুত্র লুৎফর রহমান।
আহতরা হলেন- মামলার বাদী মধ্যম বাককুম পাড়ার আলী আহমদের স্ত্রী শাহিনা আকতার (৫২), তার পুত্র নুরুল আবছার(২৪), মোঃ কায়সার(২২) ও নিশাত(২০)।
গৃহকর্মী শাহিনা আক্তার ও থানায় করা লিখিত এজাহার জানা গেছে, অভিযুক্তরা পূর্ব শক্রুতার জের ধরে তার বসতবাড়িতে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাংচুর চালায়। এসময় তাদের বাধা দিতে গিয়ে মা-ছেলে সহ ৪ জনকে পিটিয়ে মারাত্মক জখম করে।
তিনি দাবি করেন, অভিযুক্তরা দা, লাঠি, লোহার রড় দিয়ে তাদেরকে আহত করে ঘরের ওয়ারড্রপ আলমারি ভাঙচুর করে। এ সময় তারা দেবরপুত্র রিফাতের বিয়ের জন্য খরিদা ৩ লাখ টাকার ২ ভরি ১০ আনার স্বর্ণালংঙ্কার লুটে নেয়। তারা যাওয়ার সময় বসতবাড়ির টিন, চালা, দরজা ও অন্যান্য আসবাবপত্র ভাঙচুর করে।
এই বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত বাদসা মিয়ার বাড়িতে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। পরে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে বন্ধ পাওয়া যায়।
চকরিয়া থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী জানান, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ মাধ্যমে খবর পেয়ে রাতেই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় উভয়পক্ষ পাল্টাপাল্টি অভিযোগ দিয়েছে। তদন্ত করে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।