১০ মিনিটেই পরিষ্কার রূপালি গিটার চত্বরের নালা!

যার সামনে ময়লা পাবো তাকে আইনের আওতায় আনবো- সিটি মেয়র

মেডিক্যাল ও গৃহস্থালি বর্জ্য, পুরোনো লেপ তোষক, নানা আকৃতির পলিথিনে ভরা চট্টগ্রাম নগরীর প্রবর্তক মোড় রূপালি গিটার চত্বরের পাশের নালা। এই সকল বর্জ্যে ব্যাহত হচ্ছে পানি নিষ্কাশন। আর এতেই ঘটছে বিপত্তি। পানি আটকে তৈরি হচ্ছে মশার প্রজনন ক্ষেত্র। ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ।

বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে চট্টগ্রাম নগরীর প্রবর্তক মোড়ে স্থানীয় সরকার দিবস উপলক্ষে খাল নালা থেকে বর্জ্য অপসারণ কাজের উদ্বোধন করেন চসিক মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী।

মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী আসার ১০ মিনিটেই সাফ হয়ে গেল সব। অর্ধশতাধিক পরিচ্ছন্নকর্মী হামলে পড়েন আবর্জনার স্তূপে। একটি স্ক্যাবেটার রাখা হলেও তাৎক্ষণিক কাজে লাগানোর দরকার পড়েনি।

এ সময় তিনি সাংবাদিকদের বলেন, নগরীতে মোট ৩৬টি খাল আছে। চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের অধীনে এগুলোর উন্নয়নের কাজ চলছে। নালার দায়িত্ব আমাদের। আমরা এগুলো পরিষ্কার করছি, মাটি উত্তোলন করছি। এটা চলমান থাকবে।

তিনি বলেন, যার সামনে ময়লা পাবো তাকে আইনের আওতায় আনবো, জরিমানা করবো। জনগণকে সচেতন করতে মাঠে নেমেছি। মানুষ সচেতন না হলে আমরা কখনোই এ শহর পরিষ্কার রাখতে পারবো না। জনগণ যদি সচেতন হয় বর্ষায় পানি উঠলেও দ্রুত নেমে যাবে। পলিথিনের জন্য জরিমানা অনেক দোকানিকে করেছি। এখন পলিথিনের কারখানার তালিকা করছি। অচিরেই এসব কারখানায় অভিযান চালানো হবে।

চউকের সঙ্গে সমন্বয় আছে জানিয়ে তিনি বলেন, এতগুলো খালের মাটি উত্তোলন, রিটেইনিং ওয়াল, গাইড ওয়াল, স্লাব বসানো সময়সাপেক্ষ কাজ। আমরা বলেছি অন্ততপক্ষে খালের মাটি উত্তোলন করে দিতে হবে, পানি নিষ্কাশন যাতে হয়।

এ সময় চসিক কাউন্সিলর মো. নূর মোস্তফা টিনু, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা লতিফুল হক কাজমী, জনসংযোগ কর্মকর্তা আজিজ আহমদ, মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা মো. শরফুল ইসলাম মাহি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।