উন্নত দেশ গড়ার জন্য আইটি স্কিল দক্ষ মানুষ দরকার বলে মন্তব্য করেন অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সিনিয়র সচিব ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম।
বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) আগ্রাবাদের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের বঙ্গবন্ধু কনফারেন্স হলে চট্টগ্রাম চেম্বার কর্তৃক আয়োজিত প্রাকবাজেট মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
এ সময় তিনি বলেন, বিশ্ব এখন মুক্তবাজার অর্থনীতি। একই ধরনের দেশি ও বিদেশি শিল্প থাকলে দেশি শিল্পকে বেশি সুবিধা দেওয়া যায় না। এটি হলে বিদেশি বিনিয়োগ আসবে না। তারা বলবে এক দেশে দুই আইন।
এনবিআর শুধু রাজস্ব আদায় করছে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, দক্ষ জনশক্তি তৈরি, উন্নত মানুষ তৈরিতে আমরা প্রণোদনা দিচ্ছি। ঢাকা চট্টগ্রামে প্রচুর হাসপাতাল হয়েছে। চাপ বাড়ছে। তাই শিক্ষা স্বাস্থ্য সারা দেশে ছড়িয়ে দিতে চাই। ক্ষুদ্র ও মাঝারি থেকে ভারী শিল্পে মনোযোগ দিয়েছি। সাপোর্ট দিয়েছি। লোকাল রিসোর্স বাড়াতে চাই। কর নেটের আওতা বাড়াতে চাই। আরও বাড়ানোর সুযোগ আছে। আমরা মনে করি রাইট ট্রেকে আছি। যে কেউ ইটিআইএন নিতে পারছে। রিটার্ন জমা দেয়নি, মারা গেছে তারা নিবন্ধন বাতিল করেনি। তাই রিটার্ন দাখিলকারীর হিসাব মিলে না। ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে ৩৭ লাখ। জুনে ৪০ লাখ হবে আশাকরি। ২০২০ সালের জুন ভ্যাট রেজিস্ট্রেশন ছিল ২ লাখ। এখন তা পাঁচ লাখের কাছাকাছি। আমাদের সহযোগিতা করুন। দেশাত্মবোধের জায়গায় নিজেকে তৈরি করতে হবে।
স্বাগত বক্তব্যে ওমর হাজ্জাজ বলেন, জাতীয় বাজেট প্রণয়নে চট্টগ্রাম চেম্বার সবসময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। এ কারণে স্বাধীনতাপূর্ব সময়ে এ চেম্বার মিনি পার্লামেন্ট হিসেবে পরিচিত ছিল। এবার আয়কর বিষয়ে ৪৬টি, ভ্যাট খাতে ২০টি ও শুল্ক বিষয়ে ৯৮টি প্রস্তাবনা দিয়েছি। সরকারি বেসরকারি খাত একযোগে কাজ করলে স্মার্ট বাংলাদেশ হবে। কর পদ্ধতিতে বড় রিফরমেশন প্রয়োজন হবে। দেশি শিল্পের প্রসারে ভূমিকা রাখতে হবে।
সভায় জানানো হয়, আয়করে ব্যবসাবান্ধব পরিবর্তনের অংশ হিসেবে বাংলায় সহজবোধ্য আয়কর আইন প্রণয়ন করা হয়েছে। করপোরেট করহার ক্রমান্বয়ে কমানো হয়েছে। মেড ইন বাংলাদেশকে প্রমোট করা হচ্ছে। বড় শহরগুলোর বাইরে হাসপাতাল স্থাপন করলে ১০ বছর করমুক্ত রাখা হয়েছে।