সরকারি চাকরি: কোটা পুনর্বহালের দাবি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী শিক্ষার্থীদের

সরকারি চাকরিতে কোটা পুনর্বহালসহ ৩ দফা দাবি জানিয়েছে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর শিক্ষার্থীরা। রোববার (২৪ ডিসেম্বর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তারা এসব দাবি জানান। তাদের দাবিগুলো হলো, সরকারি চাকরিতে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী কোটা পুনর্বহাল, ৪১তম বিসিএসে পাশকৃত ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর প্রার্থীদের ক্যাডার সার্ভিসে সুপারিশ এবং ৪৩, ৪৪ ও ৪৫ বিসিএসে কোটা পুনর্বহাল করার পর নিয়োগ প্রদান। এসময় তাদের পক্ষে সুশান্ত ত্রিপুরা বলেন, ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীদের জন্য শিক্ষা, চিকিৎসা, খাদ্য এবং বাসস্থানের ব্যবস্থা করেছে সরকার। তবুও তারা পিছিয়ে আছে। কারণ আর্থিক অবস্থা ও ভাষাগত সমস্যার জন্য প্রতিযোগিতামূলক চাকরির বাজারে পিছিয়ে পড়ছে তারা। যা ভিশন ২০৪১ এর লক্ষ্য অর্জনের পথে অন্যতম অন্তরায়। তিনি আরও বলেন, ২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় বিসিএসসহ সব সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত ১ম ও ২য় শ্রেণীর চাকরির ক্ষেত্রে কোটা তুলে দেওয়ার পর নৃ-গোষ্ঠী শিক্ষার্থীদের চাকরির বাজারে টিকে থাকা কষ্টকর হয়ে পড়েছে। দিন দিন চাকরি পাওয়ার আশা হ্রাস পাচ্ছে। দেখা যাচ্ছে প্রিলিমিনারী, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় পাশ করার পরও তারা সুপারিশ প্রাপ্ত হচ্ছে না।  তিনি আরও বলেন, ৪০ তম ও ৪১ তম বিসিএসে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী থেকে শুধুমাত্র ১ জন করে ক্যাডার সার্ভিসে সুপারিশ করা হয়েছে। ৪১ তম বিসিএসে ২৪ জন প্রিলিমিনারি, লিখিত এবং মৌখিক পরীক্ষায় পাশ করলেও মাত্র একজন কে ক্যাডার সার্ভিস এ সুপারিশ করা হয়েছে। এসময় সুশান্ত ত্রিপুরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীদের কোটা সংরক্ষণ ও পুনর্বহাল করার দাবি জানান। এছাড়াও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর যেসব প্রার্থী ৪১ তম বিসিএসে পাশ করেছে তাদেরও সুপারিশের আবেদন জানান । এসময় ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন শোভন চাকমা, জিকো মারমা, অর্পণ ত্রিপুরা প্রমুখ।