বৃহস্পতিবার (৭ ডিসেম্বর) সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ বিষয়ক মন্ত্রী তৌফিক আল-রাবিয়াহ দেশটির রাজধানী রিয়াদে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, হজযাত্রীর সংখ্যা করোনা মহামারির আগের সময়ের মতো করা হবে। করোনার কারণে হজযাত্রীদের বয়সসীমা ৬৫ বছরের নিচে সীমিত রেখেছি। বাধ্যতামূলক করা হয়েছিল করোনার টিকা ও নেগেটিভ সনদ। বর্তমানে সেগুলোর আর প্রয়োজন নেই। তাই এ বাধ্যবাধকতা উঠিয়ে নেয়া হয়েছে। ২০১৯ সালের হজে ২৫ লাখ মুসলমান অংশ নেন। পরের দুই বছর মহামারির কারণে হজযাত্রীর সংখ্যা কমানো হয়। ২০২২ সালের প্রায় ৯ লাখ হজযাত্রীর মধ্যে ৭ লাখ ৮০ হাজার ছিলেন সৌদি আরবের বাইরের দেশের। এদিকে ২০২৪ সালে বাংলাদেশ থেকে এক লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন হজ করতে পারবেন। এর মধ্যে সরকারি মাধ্যমের কোটায় ১০ হাজার ১৯৮ জন ও বেসরকারি এজেন্সির কোটায় এক লাখ ১৭ হাজার জন। নিবন্ধনের জন্য হজযাত্রীদের পাসপোর্টের মেয়াদ আগামী বছরের ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত থাকতে হবে।