জোরারগঞ্জ থানা পুলিশের বেপরোয়া মাইক্রোর ধাক্কায় বৃদ্ধার মৃত্যু

চট্টগ্রামের জোরারগঞ্জ থানা পুলিশের আসামি বহনকারী বেপরোয়া গতির মাইক্রোর ধাক্কায় ফিরোজা বেগম (৫৪) নামের এক বৃদ্ধার মৃত্যু হয়েছে।

এদিকে, বিষয়টি সম্পর্কে জানার জন্য জোরারগঞ্জ থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ জাহিদ হোসেনের বক্তব্য নিতে বারবার যোগাযোগ করেও ব্যর্থ হয় গণমাধ্যমর্কীরা।

জানা গেছে, সাংবাদিকদের এড়িয়ে যেতে মিরসরাই উপজেলায় কর্মরত সকল সাংবাদিকের নম্বর ব্লক করে রাখা হয়েছে।

বুধবার (৬ ডিসেম্বর) বেলা ১১ টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মিরসরাই ৮নং দুর্গাপুর ইউনিয়নে পরিষদের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত ফিরোজা বেগম একই উপজেলার ৬ নং ইছাখালী ইউনিয়নের ভূঁইয়া গ্রাম এলাকার হাজি মুজিবুল হক মেস্ত্রী বাড়ির এনামুল হকের স্ত্রী।

নিহতের ছেলে মহিউদ্দিন বলেন, আমার মা ডাক্তার দেখাতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যাওয়ার জন্য ঘর থেকে বের হয়েছেন। ঠাকুরদিঘী এলাকায় মহাসড়কে পাশে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় পুলিশের আসামি বহনকারী একটি নোহা গাড়ি ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই মায়ের মৃত্যু হয়েছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগে দায়িত্বরত চিকিৎসক জানান, দুর্ঘটনায় কবলিত নারী হাসপাতালে আনার পূর্বে মারা গেছেন। শরীরের বেশ কয়েটি স্থানে মারাত্মক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

জোরারগঞ্জ হাইওয়ে থানার ইনচার্জ সোহেল সরকার জানান, জোরারগঞ্জ থানা পুলিশ আটককৃত আসামিদের আদালতে পাঠানোর সময় মাইক্রো গাড়িটি একজন মহিলাকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। নিহতের লাশ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে।

তবে, অফিসার ইনচার্জের সঙ্গে যোগাযোগ করা না গেলেও থানা সূত্রে জানা গেছে, গাড়িতে পুলিশ সদস্যদের পাশাপাশি ৫ দিনের সাজাপ্রাপ্ত স্থানীয় এক ইউপি সদস্য ও অন্য একজন আসামি ছিলেন। দুর্ঘটনায় গাড়ির কোন ক্ষয়ক্ষতি না হওয়ায় আসামিদের নিয়ে আদালতে পৌঁছে দিতে সক্ষম হয় গাড়িটি।