বিতর্ক ও গায়ক মইনুল আহসান নোবেল যেন একই সুতোয় গাঁথা। মাঝে মাঝেই অস্বাভাবিক সব কাণ্ড ঘটিয়ে আলোচনায় আসেন তিনি। দুদিন আগে ফেসবুকে নোবেল তার রিলেশনশিপ স্ট্যাটাস দিয়ে ফের আলোচনায় আসেন। সেখানে তিনি জানিয়েছেন ফারজান আরশির সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। এ বিষয়ে এতোদিন ফারজান আরশি বক্তব্য না দিলেও আজ ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে বিয়ের বিষয়টি আস্বীকার করেছেন।
ফেসবুককে দীর্ঘ এক স্ট্যাটাসে নোবেলের বিরুদ্ধে তাকে জোর করে মাদক সেবন করানোর অভিযোগ এনে ফারজান বলেন, নোবেল জোর করে নেশা করিয়ে ভাইরাল হওয়া ছবিগুলা তুলে। নোবেলের সাথে তার কোনপ্রকার বিয়ে হয়নি এবং কোন সম্পর্কও নেই। এ বিষয়ে ডেমরা থানায় জিডিও করেছেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, ‘পরবর্তীতে ডেমরা থানায় আমাকে দিয়ে ভয় দেখিয়ে একটা জিডি করায়। পরে পুলিশের সহযোগিতায় আমাকে আমার বাবা এবং কাজিন উদ্ধার করতে গেলে আমাকে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। আমি নোবেলের কথা মত ভয়ে পুলিশকেও মিথ্যে বলি তখন আমার শরীরে ড্রাগ পুশ করাছিলো। পরে গোপালগঞ্জ থেকে আমার পরিবার আমাকে উদ্ধার করে।’
সব শেষে তিনি বলেন, ‘আমি এবং আমার পরিবার খুব ভয়ভীতির মধ্যে আছি। আমি কর্তৃপক্ষের সাথে সহযোগিতা চাচ্ছি। আমি একটি মেয়ে আমি আমার পরিবার নিয়ে স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে চাই।’
জিডির বিষয়ে ঢাকা মহানগর ডেমরা জোনের সহকারী কমিশনার মধুসূদন দাশের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, বেশ ক’দিন আগে ফারজান আরশির বাবা থানায় এসে মৌখিভাবে জানান তার মেয়েকে গায়ক নোবেল জোর করে তুলে এনেছেন। তবে তিনি লিখিত কোনো অভিযোগ করেননি। পরে ফারজানা আরশি এসে জানান, তার বয়স ২২ বছর, তাকে নোবেল জোর করে তুলে আনেনি। তিনি স্বেচ্ছায় নোবেলের সঙ্গে এসেছে। কিন্তু উভয় পক্ষের কেউ আমাদের কাছে লিখিত কিছু জানাননি।
পরে ফারজান আরশির আজকের স্ট্যাটাসে নোবেলের বিরুদ্ধে অভিযোগের সূত্র ধরে কোনো ব্যবস্থা পুলিশ নেবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাদের কাছে এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে অবশ্যই আমরা আইনি ব্যবস্থা নেব।