ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় রেলসেতু পার হওয়ার সময় ট্রেনে কাটা পড়ে ও নদীতে পড়ে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪ জনে দাঁড়িয়েছে।
নিহতদের মধ্যে শুক্কুর মিয়া (৫৫) নরসিংদীর সদর উপজেলার দোআনি গ্রামের গাজী মিয়ার ছেলে ও মোজাম্মেল মিয়া (২২) একই জেলার পলাশ উপজেলার মোতালেব মিয়ার ছেলে।
নিহত অপর দুইজনের পরিচয় এখনও পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।
বৃহস্পতিবার (১০ আগস্ট) রাত সাড়ে ৮টার দিকে ঢাকা-সিলেট রেলপথের খরমপুরে তিতাস নদীর ২ নম্বর সেতু পার হতে গিয়ে তারা দুর্ঘটনার শিকার হন বলে জানিয়েছেন আখাউড়া থানার ওসি আসাদুল ইসলাম।
ওসি জানান, বৃহস্পতিবার থেকে ঐতিহ্যবাহী খরমপুর কেল্লা শহীদ (র.) মাজারের বার্ষিক ওরস শুরু হয়েছে। তাতে যোগ দিতে রাতে রেললাইন দিয়ে হেঁটে অসংখ্য মানুষ মাজারে যাচ্ছিলেন।
এর মধ্যে সাড়ে ৮টার দিকে সিলেট থেকে ছেড়ে আসা ‘পারাবত এক্সপ্রেস’ ট্রেনটি চলে আসলে তিতাস নদীর ২ নম্বর রেলসেতুতে থাকা দুই জন কাটা পড়েন। এ ছাড়া সেতু থেকে পানিতে ঝাপ দেন কয়েকজন।
পরে শুক্রবার (১১ আগস্ট) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে তাদের মধ্যে দুই জনের মরদেহ সেতুর নীচ থেকে উদ্ধার করেছেন ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা।