চট্টগ্রামে নৌকা প্রার্থীর কার্যালয়ে হামলা, দুই মামলায় গ্রেফতার ২৫

চট্টগ্রামে বিএনপির পদযাত্রা থেকে চট্টগ্রাম-১০ আসনের উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলার ঘটনায় দুইটি মামলা হয়েছে। আওয়ামী লীগের কর্মী আরিফুল ইসলাম বাদী হয়ে করা মামলায় নগর বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের অজ্ঞাত ২৫০ থেকে ৩০০ জনকে আসামি করা হয়।

অপরদিকে খুলশী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শাহেদ খান বাদী হয়ে করা মামলায় ৫৩ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরও ২৫০ জনকে আসামি করা হয়।

বৃহস্পতিবার (২০ জুলাই) সিসিটিভি ফুটেজ দেখে বিভিন্ন জায়গা থেকে ২৫ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

এর আগে গতকাল বুধবার (১৯ জুলাই) রাতে নগরের খুলশী থানায় মামলা দুইটি করা হয়।

পুলিশের করা মামলার এজাহারে বলা হয়, আসামিরা লাঠিসোঁটা, ইটপাটকেল এবং দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে দাঙ্গা হাঙ্গামা সৃষ্টি করে সড়কে যান চলাচলে বাধা দেয়। পুলিশকে সরকারি কাজে বাধা দেয়। তাদের হামলায় খুলশী থানার পুলিশের এসআই জামাল উদ্দিন, এএসআই রাজেশ বড়ুয়া, কনস্টেবল এনামুল হক, মেজবাহ উদ্দিন আহত হন। এজাহারে থাকা আসামিদের মধ্যে রয়েছেন নগরের পাঁচলাইশ থানা ছাত্রদলের আহ্বায়ক শাহাদাত হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক রিদোয়ান হোসেন, লালখান বাজার ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আবুল কাশেম, পাহাড়তলী ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো. জাহেদ। বাকিরা সবাই বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতা কর্মী।

দুই মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সন্তোষ কুমার চাকমা। তিনি বলেন, ভিডিও ফুটেজ দেখে জড়িত ২৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

বুধবার (১৯ জুলাই) বিকেলে পদযাত্রা শেষে ফেরার পথে বিকালে বিএনপিকর্মীরা নগরীর লালখান বাজার এলাকায় চট্টগ্রাম-১০ আসনের উপ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মহিউদ্দিন বাচ্চুর নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা চালায়। এতে আওয়ামী লীগের ১৯ জন আহত হন। এরপর সন্ধ্যা সোয়া ছয়টার দিকে এক কিলোমিটার দূরে চট্টগ্রাম বিএনপির কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ করে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।