সোনা-রূপা বিক্রিতে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে ক্যাডমিয়াম পদ্ধতিতে ১৮, ২১, ২২ ও ২৪ ক্যারেটে অলংকার তৈরি ও বিক্রি করা যাবে, সনাতন পদ্ধতিতে বিক্রয় সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। বৃহস্পতিবার (২০ জুলাই) এ সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে বাজুস।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে সোনা, রূপা কিংবা ডায়মন্ডের অলংকার ক্রয় ও বিক্রি সহজ করার লক্ষ্যে ‘ক্রয়-বিক্রি ও বিপণন নির্দেশিকা-২০২৩’ প্রণয়ন করা হয়েছে। পাশাপাশি জুয়েলারি ব্যবসায়ীদের বেশকিছু বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে। স্বর্ণের মান নিশ্চিত করার লক্ষ্যে হলমার্ক পদ্ধতি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। নিম্নমানের গহনা প্রস্তুত, বিপণন ও বিক্রি করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
এছাড়া পাইন ঝালার কোনো অলংকার প্রস্তত, বিপণন ও বিক্রি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সনাতন পদ্ধতির অলংকার শুধু ক্রেতাসাধারণের কাছ থেকে ক্রয় করা যাবে। স্বর্ণের অলংকার এক্সচেঞ্জ বা পরিবর্তনের ক্ষেত্রে ১০ শতাংশ ও পারচেজ বা ক্রেতার কাছ থেকে ক্রয়ের ক্ষেত্রে ২০ শতাংশ বাদ দিতে হবে। এছাড়া স্বর্ণের অলংকার বিক্রির সময় ক্রেতাসাধারণের কাছ থেকে গ্রামপ্রতি কমপক্ষে ৩০০ টাকা মজুরি গ্রহণ করতে হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, অর্ডার করা অলংকার প্রস্তুতের ক্ষেত্রে অথবা বুকিং করা অলংকার সরবরাহের ক্ষেত্রে যেদিন অর্ডার বা বুকিং দেয়া হবে, সেদিনের বাজার মূল্য কার্যকর হবে। অর্ডার সরবরাহ বা গ্রহণের সময়সীমা সর্বোচ্চ এক মাস হবে। এক মাস পার হলে অর্ডারটি বাতিল বলে গণ্য হবে। পুরানো স্বর্ণ ক্রয়ের ক্ষেত্রে অবশ্যই বিক্রেতাকে পারচেজ রসিদ দিতে হবে। এয়ারপোর্টে ডিক্লেয়ারেশন বা ট্যাক্সের আওতায় থাকলে ট্যাক্স দেয়ার ডকুমেন্ট (মূল কপি) সংরক্ষণ করতে হবে।
এছাড়া ৫০ সেন্টের উপরে সব ডায়মন্ডের গহনার ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলক সার্টিফিকেট দিতে হবে। ডায়মন্ডের গহনায় স্বর্ণের সর্বনিম্ন মানদÐ ১৮ ক্যারেট। ডায়মন্ডের অলংকার এক্সচেঞ্জ বা পরিবর্তনের ক্ষেত্রে ১৫ শতাংশ ও পারচেজ বা ক্রেতার কাছ থেকে ক্রয়ের ক্ষেত্রে ২৫ শতাংশ বাদ দিতে হবে। রূপার অলংকার এক্সচেঞ্জ বা পরিবর্তনের ক্ষেত্রে ৩০ শতাংশ ও পারচেজ বা ক্রেতার কাছ থেকে ক্রয়ের ক্ষেত্রে ৪০ শতাংশ বাদ দিতে হবে।