গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী আফরোজা খানম রিতাএমপি। ২৩ ফেব্রুয়ারি সকালে ঢাকার গুলশানের নিজ বাসভবন থেকে রওনা হয়ে সকাল সাড়ে ১০টায় মানিকগঞ্জ সার্কিট হাউজে পৌঁছান। সেখানে তিনি ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
এ সময় মন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা বলেন, “মানিকগঞ্জকে উন্নয়নবঞ্চিত থেকে বের করে আনাই আমার অগ্রাধিকার। বিমান পরিবহন ও পর্যটন খাতে সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে। একই সঙ্গে জেলার অবকাঠামো, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবায় দৃশ্যমান পরিবর্তন আনতে আমরা সমন্বিত উদ্যোগ নেব।” তিনি গণমাধ্যমের দায়িত্বশীল ভূমিকার প্রশংসা করে বলেন, “সঠিক তথ্যভিত্তিক সাংবাদিকতা উন্নয়ন ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে বড় ভূমিকা রাখে।”
সকাল ১১টায় সার্কিট হাউজে জেলার সিনিয়র আইনজীবী, জিপি, পিপি ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় করেন মন্ত্রী। এ সময় তিনি ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় আইনজীবীদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে আইনশৃঙ্খলা ও সেবা ব্যবস্থায় সমন্বয়ের ওপর জোর দেন।
সাড়ে ১২টায় জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে জেলাধীন সকল দপ্তর ও বিভাগের প্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি বলেন, “দপ্তরগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদার করলে সেবার মান বাড়বে। জনগণের ভোগান্তি কমাতে দ্রুত সিদ্ধান্ত ও কার্যকর বাস্তবায়ন দরকার।”
দুপুর ২টায় তিনি মুন্নু সিটিতে শায়িত প্রয়াত সাবেক মন্ত্রী ও সংসদ সদস্য হারুণার রশিদ খান মুন্নু-এর সমাধিতে ফাতেহা পাঠ ও কবর জিয়ারত করেন। এরপর নিজ পিতার কবর জিয়ারত শেষে পাচুরিয়ায় বিএনপির সাবেক মহাসচিব মরহুম খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন-এর কবর জিয়ারত করেন। পরে মুন্নু সিটিতে নিজ বাসভবনে যোহরের নামাজ আদায় করেন।
নামাজ শেষে জেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ সদর উপজেলা ও সাটুরিয়া উপজেলা বিএনপি এবং সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, “দলীয় শৃঙ্খলা বজায় রেখে জনগণের পাশে থাকাই আমাদের মূল লক্ষ্য। কেউ চাঁদাবাজি, দখলবাজি বা অনিয়ম করলে ছাড় দেওয়া হবে না।”
দিনব্যাপী কর্মসূচি শেষে তিনি ঢাকাস্থ নিজ বাসভবনে ফিরে যান।