নির্বাচনী গোপন কক্ষে প্রবেশ করায় আটক ২

গাজীপুর সিটি নির্বাচন

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে গোপন কক্ষে প্রবেশ ও ভোটদানে প্রভাবিত করায় দুইজনকে আটকের নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

বৃহস্পতিবার (২৫ মে) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবন থেকে গাজীপুর সিটির ভোট সিসিটিভিতে মনিটরিং করে দুইজনকে আটকের নির্দেশনা দেয় ইসি।

আটকরা হলেন- ১০১ নং কেন্দ্রে রিয়াদুল ইসলাম রিয়াজ ও ১০৩ নং কেন্দ্রে আবু তাহের।

এ তথ্য জানিয়েছেন ইসির এক কমিশনার।

ইসি জানায়, গাজীপুর সিটির ১০৩ নম্বর কেন্দ্রে ভোটদানে প্রভাবিত করায় একজনকে তিনদিন আটক রাখার আদেশ দিয়েছেন ম্যাজিস্ট্রেট। ঢাকা থেকে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেয় ইসি। এছাড়া, ১০১ নম্বর কেন্দ্রে আব্দুর রহিম নামে একজন আটক করা হয়েছে। গোপন কক্ষে প্রবেশ ও ভোটদানে প্রভাবিত করায় তাদের আটক করা হয়েছে বলে জানায় ইসি।

সকাল থেকেই রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের পঞ্চম তলায় কন্ট্রোল রুম থেকে ৪৪৩৫টি সিসিটিভি’র মাধ্যমে নির্বাচন মনিটরিং শুরু হয়। নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল অবসরপ্রাপ্ত আহসান হাবীব খান, নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর, নির্বাচন কমিশনার রাশেদা সুলতানা, নির্বাচন কমিশনার আনিছুর রহমান কন্ট্রোল রুমে উপস্থিত থেকে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করছেন।

১৮টি ডিজিটাল ডিসপ্লে বোর্ডের মাধ্যমে একই সঙ্গে ৪৬৬টি সিসি ক্যামেরায় সব ভোটকক্ষ পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। প্রতিটি ডিসপ্লে ১০ সেকেন্ড পরপর অটো রোটেড করে ভোটগ্রহণ কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ চলছে।

এর আগে রংপুর সিটি করপোরেশন, কুমিল্লা সিটি করপোরেশন, ঝিনাইদহ পৌরসভা ও গাইবান্ধা-৫ আসনের উপনির্বাচন সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে মনিটরিং করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় গাজীপুর সিটিতে সিসি ক্যামেরায় মনিটরিং করছে ইসি।

গাজীপুর সিটি নির্বাচনে মেয়র পদে আট জন, সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ৭৯ জন এবং সাধারণ কাউন্সিলর পদে ২৪৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

মেয়র পদপ্রার্থীরা হলেন- নৌকা প্রতীকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী অ্যাডভোকেট মো. আজমত উল্লা খান, লাঙ্গল প্রতীকে জাতীয় পার্টির প্রার্থী এমএম নিয়াজ উদ্দিন, মাছ প্রতীকে গণফ্রন্টের প্রার্থী আতিকুল ইসলাম, হাতপাখা প্রতীকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের গাজী আতাউর রহমান, গোলাপ ফুল প্রতীকে জাকের পার্টির মো. রাজু আহাম্মেদ। এছাড়া স্বতন্ত্র থেকে মেয়র পদে টেবিল ঘড়ি প্রতীকে জায়েদা খাতুন (সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের মা), ঘোড়া প্রতীকে মো. হারুন-অর-রশীদ ও হাতি প্রতীকে সরকার শাহনূর ইসলাম প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।