মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শুক্রবার বলেছেন, ইরান এখনও ‘সঠিক চুক্তি’ করতে প্রস্তুত নয়। এদিকে ওয়াশিংটন তার সামরিক বিকল্পগুলো খোলা রাখছে এবং তেহরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ আরও কঠোর করার প্রভাব পর্যবেক্ষণ করছে।
দক্ষিণ ক্যারোলিনায় সফরের উদ্দেশে এয়ার ফোর্স ওয়ানে ওঠার আগে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, তারা চুক্তি করতে খুবই আগ্রহী, কিন্তু আমার মতে, তারা সঠিক চুক্তি করতে প্রস্তুত নয়।
বুধবার ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে ‘অর্থনৈতিক ডি-ডে’ ঘোষণা করেন। তিনি তেহরানকে সমর্থনকারী দেশ ও প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে ব্যাপক নিষেধাজ্ঞা এবং গুরুতর অর্থনৈতিক পরিণতির হুমকি দেন।
তিনি বলেন, প্রায় ছয় মাসের যুদ্ধের পর ইরানের আগে থেকেই চাপে থাকা অর্থনীতিতে এই চাপ কী প্রভাব ফেলে, তা ওয়াশিংটন দেখতে চায়।
এসময় ট্রাম্প ইরানের অভ্যন্তরে গুরুতর অর্থনৈতিক ও সামরিক সমস্যার কথাও তুলে ধরেন। তার দাবি, সংঘাত অব্যাহত থাকায় দেশটি বড় ধরনের আর্থিক ও সামরিক চাপের মুখে রয়েছে।
ট্রাম্প দাবি করেন, তাদের কোনো টাকা নেই, তাদের কোনো নৌবাহিনী নেই, তাদের কোনো বিমানবাহিনী নেই, তারা তাদের সেনাদের বেতন দিচ্ছে না, তারা তাদের পুলিশকে বেতন দিচ্ছে না। তাদের ৩৫০ শতাংশ মূল্যস্ফীতি রয়েছে।
তিনি আরও দাবি করেন, হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে থাকা অঞ্চলটির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ‘পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ’ রয়েছে। এর মধ্যে কৌশলগত এই জলপথ এবং দক্ষিণ ইরানের কাছাকাছি স্থল এলাকাও অন্তর্ভুক্ত বলে তিনি উল্লেখ করেন।
ট্রাম্প বলেন, হরমুজ প্রণালির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পুরো ওই অঞ্চলের ওপর আমাদের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে, আর এর অর্থ হলো এর ভেতরের স্থল এলাকাগুলোর ওপরও।