রেলিগেটেড হল মুক্তকণ্ঠ ক্লাব

দ্বিতীয় বিভাগ ক্রিকেট থেকে

সিজেকেএস বাকলিয়া কনস্ট্রাকশন ২য় বিভাগ ক্রিকেট লীগ থেকে রেলিগেটেড হয়ে তৃতীয় বিভাগে নেমে গেছে মাদারবাড়ি মুক্তকণ্ঠ ক্লাব।  রোববার (১৮ জুন) রেলিগেশন লিগের খেলায় এলিট পেইন্টের কাছে ২ উইকেটে হেরে কপাল পোড়ে মুক্তকণ্ঠ ক্লাবের।

এম এ আজিজ স্টেডিয়ামে রোববার অনুষ্ঠিত এ খেলায় টসে হেরে আগে ব্যাট করে মুক্তকণ্ঠ ক্লাব ৫০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১২৩ রান করে।  জবাবে এলিট পেইন্ট ৩৮ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে জয় নিশ্চিত (১২৫) করে।

উল্লেখ্য “রেলিগেশন” কথাটা মনে ওঠলেই বুকটা যেন শিয়রে ওঠে।  একটি দল, সে দলের খেলোয়াড় এবং কর্মকর্তাদের জন্য বিষয়টি যেন কোনভাবেই কাম্য নয়।  তবু এটা হয়ে যায়, কখনো দূর্ভাগ্যে, কখনো অর্থাভাবে এবং কখনো বা গ্যাড়াকলে পড়ে।  সে যাই হোক, এবারে সর্বনাশটা হয়েছে মাদারবাড়ি মুক্তকণ্ঠ ক্লাবের।

উল্লেখ্য মাদারবাড়ি মুক্তকণ্ঠ ক্লাবের পূর্বের নাম ছিল বাকলিয়া ক্রীড়া সংস্থা।  ২০০৯ সালে ঐ নামেই লিগে অংশ নেয়।  কয়েকবছর ঐ নামে খেলে ২০১২ সালে ২য় বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়ে মাদারবাড়ি মুক্তকণ্ঠ ক্লাব নামে প্রথম বিভাগে উন্নীত হয়।  ৪/৫ বছর প্রথম বিভাগে খেলার পর আবারো ২য় বিভাগে নেমে যায় এবং এবারে একেবারে তৃতীয় বিভাগে অবনমিত হয়।  স্টেডিয়াম পাড়ায় গুঞ্জন আছে, এ দলটি পরিচালনা নিয়ে দুটি পক্ষের মধ্যে দ্বন্ধ রয়েছে।

এ খেলায় আগে ব্যাট করা মুক্তকণ্ঠ ক্লাবের হয়ে তাসরিপ ২ ছক্কায় ২৯, ফয়সাল ১ চারে অপ: ২২ এবং আব্দুল্লাহ ১ চারে ১১ রান করেন।  অতিরিক্ত ছিল ২৪ রান।  এলিট পেইন্টের রাশেদুল ১৮ ও  রেজাউল ১৯ রানে ২টি করে উইকেট দখল করেন।

এলিট পেইন্টের এ জয়ে অনবদ্য ভূমিকা রাখেন সানি দাস।  তিনি ৭টি চার ও ২টি ছক্কার মাধ্যমে ৮১ রান করে অপরাজিত ছিলেন।  অন্যান্যের মধ্যে মারুফ ১ চারে ১৭ রান করেন।  অতিরিক্ত খাতে আসে ১২ রান। মুক্তকণ্ঠ ক্লাবের মামুন ১৫, সাজ্জাদ ২৪ ও আকিব ২৯ রানে ২টি করে উইকেট নেন।