কেনিয়ায় খরার কারণে গত ফেব্রুয়ারি থেকে অক্টোবরের মধ্যে ২০৫টি হাতিসহ আরও অনেক বন্যপ্রাণির মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (৪ নভেম্বর) দেশটির পর্যটনমন্ত্রী পেনিনা মালোনজা এ তথ্য দেন।
এক সংবাদ সম্মেলনে মালোনজা বলেন, খরা বন্যপ্রাণিগুলোর মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। খাদ্য সম্পদের ক্ষয়, একইসঙ্গে জলের ঘাটতি তৈরি হচ্ছে খরার কারণে।
তিনি আরও বলেন, খরার কারণে ১৪ প্রজাতির বন্যপ্রাণি ক্ষতির শিকার হয়েছে।
হাতি ছাড়া ৫১২টি ওয়াইল্ডবিস্ট, ৩৮১টি সাধারণ জেব্রা, ১২টি জিরাফ এবং ৫১টি মহিষ একই সময়ের মধ্যে ক্ষতির শিকার হয়েছে। এছাড়া বিরল ও বিপন্ন গ্রেভির জেব্রার ৪৯টি মারা গেছে, যা প্রজাতির প্রায় ২ শতাংশ প্রতিনিধিত্ব করে।
খরায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো কেনিয়ার উত্তর ও দক্ষিণে। যেখানে কেনিয়ার বেশিরভাগ হাতির আবাসস্থল। ঝুঁকিপূর্ণ তালিকায় থাকা বন্যপ্রাণিদের সংরক্ষণে বাড়তি ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করেছে দেশটির মন্ত্রণালয়।
কেনিয়ায় বন্যপ্রাণির ওপর এ ক্ষতির প্রভাব সামনে এলো জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলন কপ-২৭ শুরু হওয়ার ক’দিন আগে। দেশটির এই খাতে অন্ততঃ ২০ লাখ লোক জড়িত, যা কেনিয়ার পর্যটন খাতে ১০ শতাংশ অবদান রাখে।
কপ-২৭ সম্মেলনের আয়োজক মিশর জলবায়ু-সম্পর্কিত বিপর্যয়ের কারণে ক্ষতিপূরণের বিষয়টিকে আলোচনার কেন্দ্রে রেখেছে। বছরের পর বছর ধরে আলোচনা হওয়া সত্ত্বেও বিষয়টি কখনোই জাতিসংঘের আনুষ্ঠানিক এজেন্ডার অংশ ছিল না।