আমদানি করা পেঁয়াজ বাজারে আসায় দাম কমতে শুরু করেছে পণ্যটির। খুচরা বাজারে গত কয়েক দিনে প্রতি কেজি পেঁয়াজে ২৫ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। ফলে পেঁয়াজ নিয়ে স্বস্তি ফিরতে শুরু করেছে ভোক্তাদের মধ্যে।
কৃষি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেওয়ার পর গত ৭ জুন পর্যন্ত ৪ লাখ ৭৩ হাজার টন পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে দেশে এসেছে মাত্র ৮ হাজার ৩০০ টন। এতেই পেঁয়াজের বাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে দেশে প্রচুর পেঁয়াজ ঢুকবে। এতে পেঁয়াজের দাম অনেক কমে আসবে।
রাজধানীর কাওরানবাজারে দেখা গেছে, ভারতীয় পেঁয়াজ প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫৫ থেকে ৬০ টাকায়। আর দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৭৫ টাকায়। গত সপ্তাহে যা ৯০ থেকে ১০০ টাকা করে কিনতে হয়েছে।
বাজার করতে আসা এক ক্রেতা বলেন, আজ ৭৫ টাকা কেজিতে কিনলাম পেঁয়াজ। একই পেঁয়াজ গত সপ্তাহে কিনেছি ১০০ টাকা কেজি। বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে।
কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক গণমাধ্যমকে জানান, পেঁয়াজের বাম্পার ফলনের পরও পণ্যটির দাম যেভাবে বেড়েছে, তা অসৎ ব্যবসায়ীদের কারসাজি ছাড়া আর কিছুই নয়। কারণ, দেশে পেঁয়াজের কোনো সংকট নেই। পরে শ্রমজীবী, স্বল্প আয়ের মানুষের কথা বিবেচনা করে সরকার গত সোমবার থেকে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেয়। এরপর থেকেই দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করেছে। গতকাল শুক্রবার রাজধানীর খুচরা বাজারে প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ ৬৫ থেকে ৭০ টাকা ও আমদানিকৃত পেঁয়াজ ৫৫ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বর্তমানে যে দরে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি করা হচ্ছে তাতে সব খরচ মিলিয়ে প্রতি কেজি পেঁয়াজের আমদানির মূল্য ২০ টাকার বেশি হওয়ার কথা নয়। সে হিসেবে বর্তমানে বাজারে যে দরে আমদানিকৃত পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে তা অনেক বেশি।
এমএফ