অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া ৪৬৯ রানের জবাবে ফলো-অনের শঙ্কায় পড়ে গিয়েছিল ভারত। প্যাট কামিন্স ও স্কট বোলান্ডের তোপে রোহিত-কোহলিরা দাঁড়াতেই পারছিলেন না। ফলে দ্বিতীয় দিন শেষে ৫ উইকেটে মাত্র ১৫১ রান তুলতে পারে ভারত। ফলো-অন এড়াতে তাদের দরকার ছিল আর ১১৯ রান। সেই গর্ত থেকে রোহিতদের উদ্ধার করেছেন অজিঙ্কা রাহানে ও শার্দূল ঠাকুর। দুজনের একশ রানের বেশি জুটিতে অলআউট হওয়ার আগে ভারত করেছে ২৯৬ রান।
তবে ফলো-অন এড়ালেও, অস্ট্রেলিয়া ১৭৩ রানের বড় লিড পেয়েছে।
যা তাদেরকে এখনও শিরোপার লড়াইয়ে এগিয়ে রেখেছে অনেকটাই। দ্বিতীয় ইনিংসে অস্ট্রেলিয়ার আরও বড় পুঁজি গড়ার পথ তৈরি করেছে এই লিড। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত দ্বিতীয় ইনিংসে শেষ অস্ট্রেলিয়া খবর পাওয়া পর্যন্ত দুই উইকেটে ৪৮ রান করেছে।
শুক্রবার (৯ জুন) অসিদের বিরুদ্ধে তৃতীয় দিনের শুরুটাও ভারতীয় দলের একেবারেই ভালো হয়নি। বৃহস্পতিবার (৮ জুন) শেষবেলায় দুরন্ত ছন্দে ব্যাট করছিলেন রবীন্দ্র জাদেজা। তিনি এ দিন শুরুতেই ৪৮ রানে আউট হয়ে যান। এর পর ব্যক্তিগত মাত্র পাঁচ রানে সাজঘরে ফেরেন ভারতের কিপার-ব্যাটার শ্রীকর ভরত। কিপিংটা ভালো করলেও ব্যাট হাতে মেটাতে পারেননি প্রত্যাশা। মাত্র ১৫২ রানে ছয় উইকেট হারিয়ে নিশ্চিত ফলোঅনের দিকে যখন এগোচ্ছিল ভারত, তখন অজিদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে রাহানেকে যোগ্য সঙ্গ দেন শার্দুল ঠাকুর।
এ দিন তাকে নিয়েই লড়াই চালান রাহানে। দুই ব্যাটারই অসি আক্রমণের বিরুদ্ধে দক্ষতা দেখিয়েছেন। তারা সুযোগ পেলেই স্কোরবোর্ডে রানের গতি বাড়িয়েছেন। দুই ব্যাটারের আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে অস্ট্রেলিয়ান বোলাররাও চাপে পড়ে গিয়েছিলেন। তবে রাহানে নিজে সেঞ্চুরি করতে পারেননি। ১২৯ বলে ৮৯ করে প্যাট কামিন্সের বলে ক্যামেরন গ্রিনকে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন। তার ইনিংসের রয়েছে ১১টি চার এবং ১টি ছয়। আর শার্দুল ১০৯ বলে ৫১ রান করে সাজঘরে ফিরে যান। ক্যামেরন গ্রিনের বলে তার ক্যাচ ধরেন অ্যালেক্স ক্যারি। তার ইনিংসটি সাজানো ছিল ৬টি চারে।
তবে এই দুই ব্যাটসম্যান আউট হতেই হুড়মুড় করে ভেঙে পড়ে ভারতের ব্যাটিং। ২৯৬ রানেই গুটিয়ে যায় তারা।