কোরবানির হাটে পশু কেনার পর ক্রেতার কাছ থেকে হাসিলের নামে নামে অর্থ নেয় হাট ইজারাদাররা। এই অর্থ আদায় বন্ধের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছে।
আজ বুধবার (২৪ মে) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় অ্যাডভোকেট ইউনুছ আলী আকন্দ জনস্বার্থে এ রিটটি করেন। এতে স্বরাষ্ট্রসচিব, স্থানীয় সরকার সচিব, ধর্ম সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে।
আবেদনে ঈদুল আজহা উপলক্ষে কোরবানির হাটে ট্যাক্স/ হাসিল বা অন্য কোনো ধরনের অবৈধ আর্থিক আদায় বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে কেন নির্দেশনা দেওয়া হবে না এ মর্মে রুলের আরজি জানানো হয়। এ ছাড়া রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ট্যাক্স বা হাসিলের নামে টাকা আদায় বন্ধের নির্দেশনা চেয়েছেন রিটকারী আইনজীবী।
বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি মোহাম্মদ শওকত আলী চৌধুরীর হাইকোর্ট বেঞ্চে আগামী সপ্তাহে রিট আবেদনটির ওপর শুনানি হতে পারে।
অ্যাডভোকেট ইউনুছ আলী আকন্দ বলেন, ‘পশুর হাটে হাসিল আদায় করার কারণে পশুর দাম কয়েকগুণ বেড়ে যায়। এ ছাড়া মাংসের দাম বৃদ্ধির অন্যতম কারণ এই হাসিল আদায়।’
এক প্রশ্নের জবাবে এ আইনজীবী বলেন, ‘সরকারি ব্যবস্থাপনায় পশুর হাটগুলো পরিচালিত হতে হবে। পশুর হাটের যাবতীয় খরচ সরকারকে বহন করতে হবে।’