আ’লীগ-বিএনপি’র একই সমস্যা

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও মাঠের বিরোধীদল বিএনপি নিয়ে রাজনীতিতে আলোচনার শেষ নেই। আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচন কিংবা সেই নির্বাচনের পূর্বক্ষণে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া পাঁচ সিটি করপোরেশন নির্বাচন নিয়ে দুই দলের একই সমস্য নিয়ে বেশ অস্বস্তিতে আছে শীর্ষ নেতারা। বিএনপি বর্তমান সরকারের অধীনে কোন নির্বাচনে না যাবার সিদ্ধান্তে অটল থাকলেও নির্বাচন থেকে আটকাতে পারছেন না দলীয় নেতাদেরকে। আবার আওয়ামী লীগ একজন করে প্রার্থী চূড়ান্ত করলেও দলের বিদ্রোহী প্রার্থীর ঝামেলা ও দলীয় কোন্দল যেন পিছু ছাড়ছে না।

প্রসঙ্গত,বিএনপি যখন নির্দলীয় সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলনে করছে, সেই নির্বাচনের আগমুহ‚র্তে সিটি নির্বাচন নিয়ে দলের অনেকের প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ দলটিকে অনেকটা অস্বস্তিতে ফেলেছে। বর্তমান সরকারের অধীন কোনো নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার অবস্থান থেকে সরে এসে দলটি সিটি নির্বাচনে দলগতভাবে অংশ নিতে পারছে না। কারণ তাতে ভিন্ন বার্তা দেবে। অন্যদিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের উপনির্বাচনের সেই ‘উকিল সাত্তার’ মডেলে যদি কেউ প্রার্থী হয়ে যায়, সেটিও বিএনপিকে ভিন্ন পরিস্থিতিতে ফেলতে পারে।

নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী, আগামী ২৫ মে গাজীপুর সিটি করপোরেশনে ভোট হবে। এরপর ১২ জুন খুলনা ও বরিশালে এবং ২১ জুন রাজশাহী ও সিলেট সিটি করপোরেশনে ভোট হবে।

এই পাঁচ সিটিতে গত নির্বাচনে বিএনপির যে পাঁচজন প্রার্থী ছিলেন, তাঁদের মধ্যে অন্তত তিনজন এবারের নির্বাচন নিয়েও বেশ কৌত‚হল দেখাচ্ছেন। এর মধ্যে সিলেটের আরিফুল হক চৌধুরী, খুলনার নজরুল ইসলাম (মঞ্জু)র তোড়জোর শোনা যাচ্ছে।
নির্বাচন বর্জন করার সিদ্ধান্ত বিএনপি যেন পুনর্বিবেচনা করে, খুলনার নজরুল ইসলাম ইতিমধ্যে এ ধরনের অভিমত গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন। আর সিলেটের আরিফুল হক দলের শীর্ষ নেতৃত্বের অনুমতি নিতে লন্ডন পর্যন্ত গেছেন। সেখানে তারেক রহমানের সাথেও তিনি সাক্ষাৎ করে তার অভিপ্রায়ের কথা বলেছেন।

তবে আজ ২০ মে শনিবার তিনি সিলেটে ডাকা এক সমাবেশ থেকে তার নির্বাচন করা, না করার বিষয়ে চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানবেন। তিনি টানা দুইবারের মেয়র সিলেটে। এদিকে পাঁচ সিটি নির্বাচনে কাউন্সিলর পদে অনেকে মনোনয়নপত্র তুলেছেন। দলীয় ফোরামে তাঁদের সঙ্গে আলোচনা ও চিঠি দেওয়ার পরও নির্বাচন থেকে তাঁদের সরানো যাচ্ছে না। শেষ দিন পর্যন্ত মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার না করায় গাজীপুরের ২৯ নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এরপরও বাকি চার সিটির তিনটিতে কমপক্ষে ৬৬ জন নেতা অংশ নিতে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন দেশ বর্তমানকে বলেন, যাঁরা দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে প্রার্থী হয়েছেন, তাঁদের চিঠি দিয়ে সতর্ক করা হয়েছিল। এরপরও যখন তাঁরা থামেননি, তখন দল তাঁদের বহিষ্কার করল। এখন যাঁরা বহিষ্কৃত হয়েছেন, তাঁরা থামবেন কেন। তাঁরা তো বহিষ্কৃত হয়েই গেছেন। এই ব্যবস্থা অন্যদের জন্য একটি বার্তা।

গাজীপুরে বহিষ্কৃত হওয়া পাঁচজন নেতা গণমাধ্যমে বলেন, গাজীপুরের আরও বেশ কয়েকটি নির্বাচনে বিএনপির নেতা-কর্মীরা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করেছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে তখন কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। সিটি নির্বাচনে যেটি হয়েছে, তা অন্য নেতাদের উস্কানিতে হয়েছে। এই নেতাদের দাবি, এই বহিষ্কার দলের জন্য ভালো হয়নি। কাউন্সিলর পদে জয় লাভ করলে দলেরই লাভ হতো।

বরিশালের অন্তত ২৪টি ওয়ার্ডে বিএনপির বর্তমান এবং সাবেক ২৫ নেতা কাউন্সিলর পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এর মধ্যে তিনজন আছেন বর্তমান মহানগর কমিটির যুগ্ম আহবায়ক।
বরিশাল মহানগর বিএনপির অন্তত পাঁচজন নেতা বলেন, তাঁদের বিশ্বাস ছিল ব্যক্তিস্বার্থ ত্যাগ করে এসব প্রার্থী দলের স্বার্থকে প্রাধান্য দেবেন। এ জন্য তাঁদের নানাভাবে বোঝানোও হয়েছিল; কিন্তু কাজ হয়নি।

নগর বিএনপির আহবায়ক মনিরুজ্জামান খান বলেন, যাঁরা প্রার্থী হয়েছেন, তাঁদের আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের অনুরোধ করবেন। না মানলে কেন্দ্র যে সিদ্ধান্ত নেবে, সেটা বাস্তবায়িত হবে। বিএনপির বরিশাল বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস আক্তার জাহান বলেন, যাঁরা মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন, তাঁদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হবে। এরপরও প্রত্যাহার না করলে অন্য সিটিতে যে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, এখানেও একই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

খুলনায় কাউন্সিলর পদে দলটির পদধারী মাত্র দুজন নেতা মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তবে শেষ পর্যন্ত থাকা নিয়ে তাঁরা দ্বিধাদ্ব›েদ্ব ভুগছেন। ফলে সিটি নির্বাচন নিয়ে অনেকটা স্বস্তিতে আছে খুলনা বিএনপি। ২০১৮ সালের নির্বাচনে কাউন্সিলর পদে ৩১টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১২টিতে আওয়ামী লীগ ও ৯টিতে বিএনপি-সমর্থিত প্রার্থী জয়লাভ করেন। বাকি ১০টি ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী এবং নির্দলীয় প্রার্থী কাউন্সিলর নির্বাচিত হন। এ ছাড়া ১০ জন সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলরের মধ্যে বিএনপির ছিলেন ১ জন। বিএনপির এই ১০ কাউন্সিলরের মধ্য ৬ জন আওয়ামী লীগে যোগ দেন। এবারও তাঁরা সবাই নির্বাচনী মাঠে আছেন, তবে বিএনপির পরিচয়ে নয়।

বিএনপির সমর্থনে গত নির্বাচনে জয়ী ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. শমসের আলী বর্তমানে দলের কোনো পদে নেই। তিনি বলেন, ‘বিএনপি একটি জনমুখী দল। জনগণের চাওয়াকে বরাবরই প্রাধান্য দেয়। আমি টানা দুবারের কাউন্সিলর। জনগণের চাওয়াকে প্রাধান্য দিয়ে কঠিন পরিস্থিতিতেও নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

১৯ নম্বর ওয়ার্ডের তিনবারের কাউন্সিলর আশফাকুর রহমান মহানগর বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য। তিনি এবারও প্রার্থী হয়েছেন। আশফাকুর রহমান গণমাধ্যমে বলেন, ‘একদিকে দলীয় সিদ্ধান্ত, অন্যদিকে জনগণ আমাকে ছাড়তে চাইছে না। আবার নির্বাচন কমিশনের প্রতি আমি সন্দিহান। আমার লোকজন নামতে পারছে না।’
মহানগর বিএনপির আহবায়ক শফিকুল আলম ওরফে মনা বলেন, কোনো নেতা-কর্মী নির্বাচনে অংশ নিলে তাঁর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার পরিষ্কার সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে। খুলনায় পদধারী নেতারা নির্বাচন করছেন না বললেই চলে।
অবশ্য বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, ‘“আমরা যদি নির্বাচন করি, একটি সিটও (সিটি করপোরেশন) দেবে না। তারা “সাত্তার” মার্কা নির্বাচন করবে। অর্থাৎ এই সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না, আমরাও নির্বাচনে যাব না এটা চ‚ড়ান্ত। সুতরাং এ নির্বাচন নিয়ে কারও আফসোস করার তো সুযোগ নেই। সিটি নির্বাচন ঘিরে কতগুলো বাস্তবতা বিএনপির সামনে এসে দাঁড়াচ্ছে।

প্রথমত, বিএনপি তার কৌত‚হলী প্রার্থীদের ভোট থেকে নিবৃত্ত করতে পারবে কি না। এ ক্ষেত্রে শঙ্কা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মতো ‘উকিল’ মডেল। সেখানে দলছুট হয়ে উকিল আবদুস সাত্তার স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে জয়ী হন বা তারও আগে নারায়ণগঞ্জ ও কুমিল্লা সিটি নির্বাচনে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে প্রার্থী হয়েছিলেন তৈমুর আলম খন্দকার ও মনিরুল হক। যদিও এর শাস্তি হিসেবে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে প্রত্যেককে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। তাঁরা এখনো বহিষ্কারই আছেন।

বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের দায়িত্বশীল নেতারা জানিয়েছেন, নীতিগতভাবে এই নির্বাচনগুলোতে অংশ নেওয়ার সুযোগ নেই বিএনপির। তাতে দুই বছর ধরে বিএনপি স্থানীয় সরকারের নির্বাচনগুলো যে বর্জন করে আসছে, সে অবস্থান মারাত্মকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ হবে। একই সঙ্গে দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে নির্বাচন করায় যাদের দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল, সেটি নিয়ে বিতর্ক উঠবে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শুধু নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়ে বা নেতাদের বহিষ্কার করে কত দ‚র যাবে বিএনপি অথবা এর থেকে কী রাজনৈতিক ‘অর্জন’ করছেন বিএনপি শীর্ষ নেতৃত্ব।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সরকারের ফাঁদে তাঁরা পা দেবেন না। তাঁরা দলগতভাবে এই সিটি নির্বাচনে কোনোভাবেই অংশ নেবেন না।

গাজীপুর সিটি করপোরেশনে আওয়ামী লীগ থেকে প্রার্থী করা হয়েছে দলের প্রবীণ নেতা আজমত উল্লাহ খানকে। বরিশালেও বর্তমান মেয়রকে বদলে প্রার্থী করা হয়েছে আবুল খায়ের আবদুল্লাহকে (খোকন সেরনিয়াবাত)। সিলেটে এবার মেয়র প্রার্থী করা হয়েছে মো. আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীকে।

খুলনা ও রাজশাহীতে বর্তমান দুই মেয়র তালুকদার আবদুল খালেক এবং এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটনই আবার নৌকা প্রতীকে ভোট করবেন।

রাজধানীর পাশের গাজীপুরে ১৭ জন আওয়ামী লীগের প্রার্থী হতে দলের মনোনয়ন ফরম কিনেছিলেন। তাদের মধ্যে ছিলেন বহিষ্কারের পর দলে ফেরা সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলম, বর্তমান প্যানেল মেয়র আসাদুর রহমান কিরন।

আজমত ২০১৩ সালে অনুষ্ঠিত গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রথম নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হয়েছিলেন। সেবার বিএনপির এম এ মান্নানের কাছে হেরেছিলেন তিনি। সেই হারের পেছনে দলীয় নেতা জাহাঙ্গীরের বিরোধিতাকে দায়ী করেন আজমত সমর্থকরা।
পরের নির্বাচনে ২০১৮ সালে আজমতের পরিবর্তে জাহাঙ্গীরকে প্রার্থী করে আওয়ামী লীগ। ভোটে জিতে তিনি মেয়রও হয়েছিলেন। কিন্তু পরে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের জন্য তিনি দল থেকে বহিষ্কৃত হওয়ার পর মেয়র পদও হারান। সম্প্রতি অবশ্য বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে তাকে দলে ফিরিয়ে নেয় আওয়ামী লীগ। কিন্তু আবার তিনি মেয়র নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দল থেকে আজীবনের জন্য বহিস্কার হয়েছেন।

বরিশালে বর্তমান মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহকে বাদ দিয়ে মনোনয়ন প্রত্যাশী সাতজনের মধ্যে আওয়ামী লীগ প্রার্থী হিসেবে বেছে নিয়েছে খোকন সেরনিয়াবাতকে। তারা দুজনই আবার বঙ্গবন্ধু পরিবারের সদস্য। সাদিক আবদুল্লাহ হলেন আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর ছেলে। আর খোকন সেরনিয়াবাত হলেন আবুল হাসনাত আবদুল্লাহর ভাই। তবে দুই ভাইয়ের মধ্যে বিরোধের বিষয়টি বরিশালে বেশ আলোচিত।
সিলেটে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীকে।সেখানে বর্তমান মেয়র বিএনপির আরিফুল হক চৌধুরী।

খুলনা ও রাজশাহীতে তালুকদার খালেক এবং লিটনের উপর আগের দুইবারের মতো ভরসা রাখছে আওয়ামী লীগ। এবার খুলনায় চারজন এবং রাজশাহীতে তিনজন মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন।

বরিশালে বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ট আত্মীয় হাসনাত আবদুল্লাহ ও মেয়র পদে মনোনয়ন পাওয়া খোকন সেরনিয়াবাদকে ঘিরে দুই ভাইয়ের বিবাদে আওয়ামী লীগের গৃহবিবাদ চরমে পৌছেছে। এ অবস্থায় গত বুধবার রাতে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আফজাল হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়, ১২ জুন অনুষ্ঠেয় বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচন সামনে রেখে ৯ সদস্যের কেন্দ্রীয় সমন্বয় টিম গঠন করেছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।

সমন্বয় টিমের প্রধান করা হয়েছে বরিশাল-১ আসনের সংসদ সদস্য ও দলের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহকে। এ ছাড়া টিমে দলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিমকে সমন্বয়ক এবং সাংগঠনিক সম্পাদক আফজাল হোসেনকে যুগ্ম-সমন্বয়কের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
টিমের অন্য সদস্যরা হলেন- আওয়ামী লীগের সভাপতিসন্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক ও আব্দুর রহমান, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ড. শাম্মী আহমেদ, শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক মো. সিদ্দিকুর রহমান, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য আনিসুর রহমান এবং মো. গোলাম কবীর রাব্বানী চিনু।

এর মধ্যে বরিশাল নগরীতে ভোটের প্রচার চালাতে গিয়ে দুই দফায় হামলার শিকার হয়েছে নৌকার সমর্থকরা। খোকন সেরনিয়াবাতের অনুসারীদের অভিযোগ, যারা এই হামলার সঙ্গে জড়িত তারা সবাই সাদিক আব্দুল্লাহর অনুসারী। তবে গতকাল পর্যন্ত নয় সদস্যের উপদেষ্ঠা কমিটির কেউ দলীয় প্রার্থীর পক্ষে প্রচারনায় নামেননি।