মোখার তাণ্ডব থেকে রক্ষায় নিরাপদ আশ্রয়ে আনোয়ারার ফিশিং ট্রলার
বঙ্গোপসাগরে গভীর নিম্নচাপ থেকে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেওয়া ‘মোখা’র তাণ্ডব মোকাবিলায় আবহাওয়া অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী বঙ্গোপসাগরের মাছ ধরার ট্রলারগুলো গত কয়েকদিন আগে থেকে উপকূলের কাছাকাছি নোঙর করা হচ্ছে। তবে সাগরে উত্তালে নোঙর ছেঁড়ার ভয়ে ছোটো নদী-খালে ফিশিং ট্রলার নোঙর করছে চট্টগ্রাম আনোয়ারা উপজেলার উপকূলের জেলেরা।
সরেজমিনে উপজেলার বঙ্গোপসাগর উপকূলীয় রায়পুর-জুঁইদণ্ডি ঘুরে দেখা যায়, সাপমরা খাল, গোদার পাড়া খাল, নজুমিয়া খালসহ ছোটো ছোটো আরও বেশ কয়েকটি খালে মাছ ধরার ট্রলারগুলো নোঙর করে রাখা হয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন ঘাট থেকে ট্রলারগুলো এনে নোঙর করে রাখা হয়েছে জুঁইদণ্ডি এলাকায়।
উঠান মাঝির ঘাট কমিটির সভাপতি নাছির উদ্দীন বলেন, আগামী ২০ মে থেকে মাছ ধরা বন্ধ। এখন সবকিছু গুছিয়ে নেওয়ার সময়। এর মধ্যে ঘুর্ণিঝড় চলে আসায় কোনো কিছু গুছানো হয়নি। তাই সাগর থেকে ট্রলারগুলো তুলে যে যেখানে পেরেছে সেখানে নিরাপদ স্থানে নোঙর করে রেখেছে।
উপকূলীয় রায়পুর ইউপি চেয়ারম্যান আমিন শরীফ বলেন, ঘুর্ণিঝড়ের আভাস পাওয়ার সাথে সাথে আমরা সাইক্লোন শেল্টারগুলো প্রস্তুত করেছি। যে সমস্ত জায়গায় বেড়িবাঁধ ঝুঁকিপূর্ণ হয়েছে সেসব স্থানে সংস্কার করা হয়েছে। সচেতনার জন্য মাইকিং করা হচ্ছে। ভূমিমন্ত্রী মহোদয় এবং ইউএনও এলাকার সার্বিক বিষয়ের খবরা-খবর নিচ্ছেন।
আনোয়ারা ঘুর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচির (সিপপি) সহকারী পরিচালক নজরুল ইসলাম বলেন, গত কয়েকদিন ধরে ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় কাজ করা হচ্ছে। আজ শুকনা খাবার বিতরণ করা হয়েছে। কারিতাসসহ রেডক্রিসেন্টের সদস্যরাও মাঠে রয়েছে। ধীরে ধীরে স্থানীয়রা গবাদী পশু নিয়ে সাইক্লোন সেন্টারে চলে আসতেছে।