প্রায় ১৯ বছর আগে চট্টগ্রাম নগরীর আমবাগান এলাকায় রেলওয়ে কলোনিতে রেলের কর্মচারী শফিউদ্দীনকে ঘরে ঢুকে এলোপাতাড়ি গুলি ও মারধর করে পালিয়ে যায় মাজহারুল ইসলাম ফরহাদ (৪৩)। পরে গুরুত্বর আহতবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চমেক হাসপাতালে নিয়ে আসলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পরে নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে মাজহারুল ও আরও ৭/৮ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে খুলশী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার দায়েরের পর থেকেই পলাতক ছিল মাজহারুল।
রবিবার (৭ মে) দুপুর সাড়ে ১২টায় নগরীর খুলশীর আমবাগান এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাজহারুলকে গ্রেফতার করে র্যাব।
গ্রেফতার মাজহারুল নোয়াখালী জেলার সুধারাম থানার পূর্ব এওজ বালিয়া এলাকার মো. মফিজ মিয়ার ছেলে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র্যাব-৭ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) মো. নূরুল আবছার।
তিনি বলেন, ২০০৩ সালের ১৪ জুন নগরীর আমবাগান এলাকায় রেলওয়ে কলোনিতে রেলের কর্মচারী শফিউদ্দীনের ঘরে ঢুকে এলাপাতাড়ি গুলি ও মারধর করে পালিয়ে যায় মাজহারুল ও তার সঙ্গীরা। পরে গুরুতর আহতাবস্থায় স্থানীয়রা উদ্ধার করে চমেক হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে মাজহারুল ও আরও ৭/৮ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে খুলশী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার দায়েরের পর থেকেই আসামি পলাতক ছিল। দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়া শেষে আসামি মাজহারুল ইসলাম ফরহাদের অনুপস্থিতে আদালত তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেন।
তিনি আরও বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল দুপুর সাড়ে ১২টায় খুলশী থানার আমবাগান এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১৯ বছর পর আসামি মাজহারুল ইসলাম ফরহাদকে গ্রেফতার করা হয়। আসামিকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।