চট্টগ্রামের মধু ফলের সন্ধানীরা বাঁশখালীর কালীপুরের লিচু একবারের জন্য হলেও স্বাদ নিতে চেষ্টা করেন যখন লিচুর মৌসুম শুরু হয়।
প্রচণ্ড গরমে আগেভাগে পাকছে বাঁশখালীর স্থানীয় জাতের লিচু। এবার আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ও পোকা–মাকড়ের তেমন আক্রমণ না থাকায় বাঁশখালীতে লিচুর বাম্পার ফলন হয়েছে। চায়না-থ্রি ও চায়না-টু জাতের লিচু ঝুলছে গাছে গাছে।
স্বাদে অতুলনীয় হওয়ায় এ লিচু দেশের বাইরে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশেও যাচ্ছে।
এবার বাঁশখালী উপজেলা জুড়ে ৭৬০ হেক্টর বাগানের লিচুর বাম্পার ফলন হয়েছে বলে জানান বাঁশখালী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবু সালেক। তিনি জানান, গত মৌসুমে ৭২০ হেক্টর বাগানে লিচুর ভালো ফলন হয়েছিল। প্রতি হেক্টরে বীজের গাছ হয় প্রায় ২২০টি। কলমের নতুন জাতের চারা হয় ২৬০টি।
উপজেলার পুকুরিয়া, সাধনপুর, কালীপুর ও বৈলছড়িতে ৪–৫ কিলোমিটার পাহাড়ি এলাকাজুড়ে সড়কের পাশে, বাড়ির আঙ্গিনায়, পাহাড় ও লোকালয়ের বাগানে গাছে ঝুলছে থোকায় থোকায় লিচু। গাছের সঙ্গে টিন-জাল টাঙিয়ে চলছে পাখির কবল থেকে ফল রক্ষার চেষ্টা।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, চলতি সপ্তাহেই বাজারে মিলবে মধুমাসের এই রসালো ফল। বাগান মালিকদের সঙ্গে পাইকাররা ব্যস্ত দর কষাকষিতে। অনেক বাগান আগেই কিনে নিয়েছেন স্থানীয় পাইকারী ব্যবসায়ীরা। গত চার বছর ধরে বাঁশখালীতে লিচুর চাষাবাদ বাড়ছে।