আফিফের প্রথম সেঞ্চুরি

আবাহনীর জয়

বৃহস্পতিবার ফতুল্লার খান সাহেব ওসমান আলি স্টেডিয়ামে প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাবকে ৪২ রানে হারিয়েছে আবাহনী লিমিটেড।

আফিফ হোসেন পারফরম্যান্সের জন্য বাদ পড়ে গিয়েছিলেন জাতীয় দল থেকে।  এবার তিনি পারফর্ম করেই আছেন ফেরার প্রত্যয়ে।

প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ফিফটির চেয়ে বেশি সেঞ্চুরি করেছেন আফিফ।  কিন্তু সীমিত ওভারের সংস্করণে এত দিন ধরে পাননি তিন অঙ্কের দেখা।  চলতি ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে ঘোচালেন সেই অপেক্ষা।  প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাবের বিপক্ষে পেলেন সেঞ্চুরির উষ্ণ ছোঁয়া। এই ব্যাটারের ইনিংসে বড় সংগ্রহ পায় আবাহনী লিমিটেড, পরে তারা পেয়েছে জয়ের দেখাও।

শুরুতে ব্যাট করতে নেমে ৫ উইকেট হারিয়ে ২৮৫ রানের সংগ্রহ পায় আবাহনী।  জবাবে ২৪৩ রানে গুটিয়ে যায় প্রাইম ব্যাংক।  এই জয়ে ১৩ ম্যাচে ২৪ পয়েন্ট নিয়ে সবার উপরেই থাকলো আবাহনী, দুই পয়েন্ট কম নিয়ে দ্বিতীয়তে শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব।

টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ৫৫ রানের উদ্বোধনী জুটি পায় আবাহনী।  ৩৫ বলে ৩১ রান করে এনামুল হক বিজয় আউট হলে ভাঙে এই জুটি।  ৪৩ বলে ২৬ রান করে আউট হয়ে যান নাঈম শেখও।  ১০০ রানের আগেই আবাহনী হারিয়ে ফেলে তিন উইকেট।  এরপর দলের হাল ধরেন অধিনায়ক মোসাদ্দেক হোসেন ও আফিফ হোসেন।

এই দুজনের জুটিতে আসে ১৪০ রান। ৭৬ বলে ৬৭ রান করে মেহেদী হাসানের বলে মোসাদ্দেক আউট হন।  তবে ৬ চার ও ৫ ছক্কার ইনিংসে ১০১ বলে ১১১ রান করে অপরাজিত থাকেন চার নম্বরে ব্যাট করতে নামা আফিফ।  লিস্ট-এ ক্যারিয়ারের ১০৬ নম্বর ম্যাচে এসে প্রথম সেঞ্চুরি পেলেন বাঁহাতি এই ব্যাটার।  প্রাইম ব্যাংকের পক্ষে দুই উইকেট করে নেন কাশিফ ভাট ও মেহেদী হাসান।

জবাব দিতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি প্রাইম ব্যাংকের।  আগের ম্যাচে সেঞ্চুরি করা শাহাদাৎ হোসেন দিপু ৬ বল খেলে ৫ রানে আউট হয়ে যান।  ৪ চার ও ২ ছক্কায় ৫৪ বল খেলে ৫১ রান করেন জাকির হাসান।  দলের হয়ে হাফ সেঞ্চুরি পান প্রান্তিক নওরোজ নাবিলও।  ৭৪ বলে ৫৪ রান করে আউট হন তিনি।

তবে পরের ব্যাটাররা আর হাল ধরতে পারেননি।  শেষদিকে ৪০ বলে ৪০ রান করে অপরাজিত থাকেন অলক কাপালি, কিন্তু সেটি দলের জয়ের জন্য যথেষ্ট হয়নি।  আবাহনীর পক্ষে ৯ ওভার ৪ বল হাত ঘুরিয়ে ৬ উইকেট নেন পাকিস্তানের খুশদিল শাহ।

দিনের আরেক ম্যাচে মিরপুরে গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সকে ৪ উইকেটে হারিয়েছে মাশরাফি বিন মর্তুজার লিজেন্ডস অব রুপগঞ্জ।  শুরুতে ব্যাট করে ৯ উইকেট হারিয়ে ২৬৫ রান করে গাজী গ্রুপ।  প্রায় তিন ওভার হাতে রেখে ম্যাচ জেতে রুপগঞ্জ।  ৮ ওভারে ১ মেডেনসহ ৩৭ রান দিয়ে ৪ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হন তানভীর হায়দার।