লবণাক্ততা ছড়িয়ে পড়েছে চট্টগ্রাম ওয়াসার সরবরাহ করা পানিতে। লবণের কারণে পাইপলাইনের মাধ্যমে বাসা-বাড়িতে আসা পানি পান করা যাচ্ছে না। রান্না-বান্নাও করতে পারছেন না অনেক এলাকার বাসিন্দারা।
নগরের বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে ভোগান্তির একই চিত্র পাওয়া গেছে। তাঁরা কেউ পানি কিনে পান করছেন। আবার কেউ দূরদূরান্তের পুকুর ও গভীর নলকূপ থেকে পানি সংগ্রহ করে আনছেন।
পানির এই চাহিদা আগে মেটানো যেত চট্টগ্রাম ওয়াসার পানি দিয়ে।
চট্টগ্রাম নগরের বেশির ভাগ এলাকার মানুষ এখন এই সমস্যায় ভুগছেন। লবণাক্ততা বাড়ায় সুপেয় পানির সংকটে পড়েছেন তারা। শুধু লবণাক্ততা নয়, পানি ঘোলা ও দুর্গন্ধও আছে বলে অভিযোগ অনেকের।
ওয়াসার কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শুষ্ক মৌসুমের কারণে কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের লেকে (কাপ্তাই লেক) পানির স্তর ৭৬ ফুট গভীরে নেমে গেছে, যা স্বাভাবিক অবস্থায় ১০৯ ফুট পর্যন্ত থাকে। এ অবস্থায় জলবিদ্যুৎ প্রকল্প থেকে পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি নির্গত হচ্ছে না। এতে নদীর উজানে মিঠা পানির প্রবাহ কমে গেছে। ফলে সমুদ্রের পানি ঢুকে কর্ণফুলী নদী হয়ে হালদা নদীতে প্রবেশ করছে।
এ কারণে মোহরা ও শেখ রাসেল পানি শোধনাগারে হালদা নদী থেকে উত্তোলিত পানিতে লবণাক্তের মাত্রা বেড়েছে। এ ছাড়া কাপ্তাই রাবার ড্যাম থেকে কর্ণফুলী নদীতে শেওলা ঢুকে পড়ছে। রাসায়নিকের মাধ্যমে এ সমস্যা সমাধান করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে মুষলধারে বৃষ্টি না হওয়া পর্যন্ত এটি পুরোপুরি সমাধান করা যাবে না।