আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হলেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। আর ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করে দেশ ছেড়েছেন শেখ হাসিনা। সরকার পতনের পরই সংখ্যালঘুদের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, লুটপাট ও ডাকাতি করেছে দুর্বৃত্তরা। আর তাই নিজ এলাকায় সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তার দায়িত্ব নিয়েছেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মনোয়ার হোসেন ডিপজল। রাত জেগে তার লোকজন মন্দির পাহারা দিচ্ছে। এ প্রসঙ্গে ডিপজল জানান, সারাদেশে ধর্মীয় সম্প্রীতি বিনষ্ট করার সর্বাত্মক অপচেষ্টার রুখে দিতে অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে কাজ করছেন তার এলাকার বাসিন্দারা। কোনোভাবেই সম্প্রতি বিনষ্ট হতে দেবেন না তিনি। এ ছাড়া অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকেও অভিনন্দন জানিয়েছেন এই অভিনেতা। উল্লেখ্য, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের এক দফা দাবির মুখে গেল সোমবার পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন শেখ হাসিনা। পরবর্তীতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হয়েছেন শান্তিতে নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। গেল বৃহস্পতিবার বঙ্গভবনের দরবার হলে প্রায় ৪০০ অতিথির উপস্থিতিতে শপথ নেন তিনি।
ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী আশনা হাবিব ভাবনা। অভিনয়ের পাশাপাশি লেখালেখি, ছবি আঁকা ও নাচসহ বহু গুণে গুণান্বিত এই অভিনেত্রী। বিভিন্ন সময়ে নিজের ভাবনাগুলো তিনি তুলে ধরেন রংতুলির আঁচড়ে। তারই ধারাবাহিকতায় এবার ‘বাকস্বাধীনতা’ শিরোনামে আটটি ছবি এঁকেছেন এই অভিনেত্রী।
মজার বিষয়- আটটি ছবিই ভাবনা এঁকেছেন আগস্টের ৮ তারিখে মানে, এক দিনেই।
ফেসবুকে ছবিগুলো পোস্ট করে ভাবনা লিখেছেন, ‘আটটি ছবি আঁকা যখন শেষ হলো, তখন ঘড়িতে ৩টা ৩ মিনিট। এই ৩ নম্বরের সঙ্গে আমার সংযোগ ফিরে আসে (ভাবনার জন্মদিন ৩ আগস্ট)। যদিও ফিরে ফিরে জন্ম নেওয়ার লোভ আমার নেই!’
এর আগে, ১৬ জুলাই বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে প্রাণ হারানো রংপুরের তরুণ শিক্ষার্থী আবু সাঈদের একটি প্রতিকৃতি এঁকেছিলেন ভাবনা। সাঈদের মৃত্যুর পরের দিনই ছবিটি ফেসবুকে প্রকাশ করেন অভিনেত্রী।
সেই পোস্ট পুনরায় শেয়ার করে ভাবনা লিখেছেন, ‘এবার তবে প্রকাশ্যে ফাঁসি দিন আবু সাঈদের খুনিকে। বর্তমানের কাছে চাই নিরপেক্ষতা, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং আইনের সুশাসন। শান্তি প্রতিষ্ঠা হোক। নতুনত্ব দেখার অপেক্ষায়।’