দিনাজপুরে পুলিশ সুপারের নামে বিভিন্ন সাইটে পেজ খুলে প্রতারনা, চক্রের দুই সদস্য ধরা

 দিনাজপুরের পুলিশ সুপার শাহ ইফতেখার আহমেদের নামে ফেসবুক হোয়াটসঅ্যাপ ইমোসহ বিভিন্ন সাইটে পেজ খুলে বিপদগ্রস্হ সাধারন মানুষকে প্রতারনা করে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার ঘটনায় প্রতারক চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে জেলার গোয়েন্দা পুলিশ ডিবি।
 গ্রেপ্তার দু’জন হলো নীলফামারী জেলার সৈয়দপুরের খাতামধুপুর ঠনঠনিয়াপাড়ার সমবারুর ছেলে রুহুল আমীন এবং কাছের আলীর ছেলে আল আমিন। চক্রের অন্যান্যরা আত্বগোপন করেছে।
এব্যাপারে ১৫ জুন শনিবার দুপুরে গনমাধ্যম কর্মীদের কাছে ঘটনার বর্ননা দিয়েছেন সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জিন্নাহ আলম মামুন। এসময় উপস্থিত ছিলেন ডিবি পুলিশের ইনচার্জ সোহেল রানাসহ অন্যান্যরা।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জিন্নাহ আলম মামুন জানান, গ্রেপ্তার রুহুল আমিন এবং আল আমিনসহ চক্রের সদস্যরা পুলিশ সুপার শাহ ইফতেখার আহমেদেরসহ পুলিশ কর্মকর্তাদের নাম পদবি ইউনিফর্ম যুক্ত ছবি ব্যবহার করে হোয়াটসঅ্যাপ এবং ইমোতে আইডি খুলে বিভিন্ন ভাবে অর্থ খোয়ানো দেশি এবং প্রবাসিদের কাছে ” পুলিশ প্রবাসী সাহায্যকারি ” আইডি ব্যবহার করে অনলাইনের মাধ্যমে যোগাযোগ করতো তারা। খোয়ানো টাকা উদ্ধার করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিকাশের মাধ্যমে টাকা হাতিয়ে প্রতারনা করতো জড়িতরা। বিশ্বাস অর্জনে ০১৮৩২৫৮৩৮৬০ নম্বরে নিজেকে পুলিশের এসআই হাবিব ইসলাম এবং ০১৮৫২ ০৫০ ১৭২ নম্বরে ফারুক আহমেদ নাম করা করেছিল। বিষয়টি নজরে আসায় পুলিশ সুপার শাহ ইফতেখার আহমেদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মাসুম এবং সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহ জিন্নাহ আল মামুনের পরামর্শ তদারকিতে অভিযানে নামেন ডিবি পুলিশের ইনচার্জ সোহেল রানাসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা। তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় জড়িতদের অবস্হান চিহ্নিত করে ১৫ জুন শনিবার মধ্যরাতে ওই দুজনকে সৈয়দপুর থানা পুলিশের সহায়তায় গ্রেপ্তারে সক্ষম হয়েছেন তারা। আলামত হিসেবে উদ্ধার করা হয়েছে সিমকার্ড যুক্ত তিনটি মোবাইল ফোন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে ওই দুই প্রতারক। এব্যপারে আজ কোতয়ালী থানায় সাইবার নিরাপত্তাসহ পেনাল কোর্টের ধারার মামলা রেকর্ড করা হয়েছে৷ মামলা নম্বর ৩৯।