আগের চার মুখোমুখিতে নেদারল্যান্ডস কেবল একবারই হারিয়েছিল বাংলাদেশকে। তাই বিশ্বকাপ মঞ্চে নেদারল্যান্ডসকে নিয়ে বাংলাদেশ শিবিরে তেমন ভয় ছিল না! একেবারেই ছিল না বললে ভুল হবে। ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপে কিন্তু কলকাতায় কমলা শিবিরের উৎসবে ম্লান হয়েছিল বাংলাদেশের হাসি। তাই মনের কোণে খানিকটা সংশয় তো ছিলই। সঙ্গে সাম্প্রতিক সময়ের পারফরম্যান্স বিরাট ভাবনার। সব সংশয়, উৎকণ্ঠা, উদ্বেগ দূর করে কিংসটাউনে বাংলাদেশ আরও একবার হারালো নেদারল্যান্ডসকে। ২৫ রানের জয়ে ‘ডি’ গ্রুপ থেকে সুপার এইটে যাওয়ার লড়াইয়ে অনেকটাই এগিয়ে গেল নাজমুল হোসেন শান্তর দল। শেষ ম্যাচে নেপালের বিপক্ষে আরেকটি প্রত্যাশিত পারফরম্যান্সে বাংলাদেশকে নিয়ে যাবে পরের রাউন্ডে।
বাংলাদেশ ও নেদারল্যান্ডসের ম্যাচ দিয়ে সেন্ট ভিনসেন্টে অবস্থিত আর্নোস ভ্যালে গ্রাউন্ডে অচলায়তন ভেঙেছে। ১০ বছর পর এই মাঠে ফিরেছে আন্তর্জাতিক ম্যাচ। উইকেট নিয়ে উৎকণ্ঠা থাকলেও ম্যাচে সবকিছু বাংলাদেশের পক্ষে গেছে। নেদারল্যান্ডসের আমন্ত্রণে ব্যাটিংয়ে নেমে বাংলাদেশ ৫ উইকেটে ১৫৯ রান করে। জবাবে ডাচরা তীব্র লড়াইয়ে বাংলাদেশকে ভয় দেখালেও শেষ পর্যন্ত থেমে যায় ১৩৪ রানে।
সাংবাদিকের যে প্রশ্নে রেগে গিয়ে যা করলেন চিত্রনায়িকা বুবলি .(video)
ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ যে পুঁজি পেয়েছে সেটা ছিল দলের আসল চাওয়া। বিশ্বকাপ শুরুর আগে শান্ত জানিয়েছিলেন, ১৬০ রানের আশেপাশের স্কোর হলে তারা খুশি হবেন। সাকিবের ফিফটির সুবাদে রান ১৫৯। যদিও এই লড়াকু পুঁজির আভাস শুরু ও মাঝপথে ছিল না। পাওয়ার প্লে’র ৬ ওভারে রান ৫৪। ইনিংসের অর্ধেকতম ওভারে ৭৬। সেখান থেকে পরের ৫ ওভারে যোগ হয় কেবল ২৯ রান। ১৫ ওভারে ১০৫ থেকে বাংলাদেশ ২০ ওভার শেষ করে ৫৪ রান যোগ করে। যেখানে প্রায় সব রানই এসেছে বাউন্ডারিতে। তাতে লড়াইয়ের পুঁজি পেয়ে যায় বাংলাদেশ।ব্যাটিংয়ে যাদের ওপর ভরসা ছিল তারা এবারও ফেল! শান্ত রিভার্স সুইপ করতে গিয়ে স্লিপে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন। লিটন সুইপ করতে গিয়ে ক্যাচ দেন ডিপ মিড উইকেট। দুইজনই থেমেছেন ১ রানে। অন্যদিকে তানজিদ হাসান আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে দলের চাহিদা পূরণ করেছেন। উইকেটের চারিপাশে খেলেছেন দৃষ্টিনন্দন শট। কয়েকটি শটে আউট হয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছিল। কিন্তু সেগুলোতে ভাগ্য তার পাশেই ছিল।