কয়েকঘণ্টা পরেই বিশ্বকাপের মঞ্চে শুরু হবে লাল সবুজদের মিশন। যদিও বাংলাদেশ ইউএসের সাথে সিরিজ হেরেছে। একমাত্র প্রস্তুতি ম্যাচে ভারতের সাথেও জিততে পারেনি। তবুও ওদের ওপরেই আস্থা রাখতে হবে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দৌহিত্র রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববি ফেসবুক স্ট্যাটাস দিয়েও সেই কথাই বলেছেন। কয়েকটা শব্দ যার গভীর অর্থ বাড়ায় মনোবল, শত সমালোচনা আর প্রশ্নবাণের সামনে হয়ে ওঠে ঢাল। যেটা বিশ্বকাপের শুরুর ম্যাচের আগে ক্রিকেটারদের জন্য ছিলো বড্ড প্রয়োজন। তেমনই একটা ফেসবুক স্ট্যাটাস দিয়েছেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাতি রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববি। তিনি বলেছেন, আশা করছি টাইগাররা গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঢুঁ মারেন না। তারা সেখানে যে ধরনের হেনস্তার শিকার হয়, তা পুরোপুরি অগ্রহণযোগ্য। দল নির্বাচন, ট্যাকটিস আর মাঠের পারফরম্যান্স নিয়ে ক্রিকেট ফ্যানরা তর্কবিতর্ক বা কাটছেরা করবেনই। তবে বিদেশের মাটিতে দেশকে প্রতিনিধিত্ব করা তরুণ অ্যাথলেটদের যেভাবে ধারাবাহিক ব্যক্তিগত আক্রমণ করা হচ্ছে, তা কোনোভাবেই এর অংশ হতে পারে না। যাদের জাতীয় দলকে সমর্থন দিতে আপত্তি, তাদের জন্য সহজ সমাধানও আছে। তারা আর ফলো না করলেই পারে। অসংখ্য সত্যিকারের সমর্থক আছে, যারা ভালোমন্দ সব সময়েই টাইগারদের সমর্থন করে যাবে।
বাংলাদেশের জয়ের জন্য আশাবাদী ক্রিকেট প্রেমীরা (Video)
দেশের ক্রীড়াঙ্গনে বঙ্গবন্ধু আর তার পরিবার ছিলো জটিল অঙ্কের সহজ সমাধান। শেখ কামাল থেকে জামাল, সুলতানা কামাল কিংবা খোদ বঙ্গবন্ধু খেলার প্রতি তাদের ছিল ভীষণ টান। তাদের হাতেই ক্রীড়াঙ্গনে শুরু হয়েছিল নতুনের গান, এসেছিল আধুনিকতার ফরমান। সবাই খেলা ভালোবাসতেন, নিজেরা খেলতেন; মগ্ন থাকতেন সাংগঠনিক সাধনায়; দেশের ক্রীড়া অঙ্গন আজও সেই সাক্ষ্য দেয়। এখনো যে অনুরাগের ঝাণ্ডা বয়ে বেড়ান বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আগলে রাখেন সাকিব সাবিনা জাহানারা জামালদের। তারই ছোট বোন শেখ রেহানার ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববি। খেলাধুলার জন্য নিবেদিত প্রাণ। ফিফা ফুটবল লিজেন্ডরা বাংলায় এলেই তাকে দেখা যায় দেশের গৌরব উজ্জ্বল ইতিহাস তাদের কাছে তুলে ধরতে। একাধিকবার নারী ফুটবলারদের ম্যাচ দেখতে গেছেন কমলাপুর স্টেডিয়ামে। রয়েছে ক্রিকেটের প্রতি টান। সাকিব রিয়াদের ম্যাচ দেখেন স্টেডিয়ামে এসে। আর কয়েকঘণ্টা পরেই বিশ্বকাপের মঞ্চে শুরু হবে লাল সবুজদের মিশন। যদিও বাংলাদেশ ইউএসের সাথে সিরিজ হেরেছে। একমাত্র প্রস্তুতি ম্যাচে ভারতের সাথেও জিততে পারেনি। তবুও ওদের ওপরেই আমাদের আস্থা রাখতে হবে। নিশ্চয়ই মূল পর্বে শান্ত সাকিব রিয়াদরা সবার আস্থার প্রতিদান দেবে। নিজেদের সামর্থ্য মতো ক্রিকেটের বাইশ গজে লড়ুক প্রতিটা ম্যাচে প্রতিদ্বন্ধীতা গড়ে তুলক। দিনশেষে গোটা জাতীর ক্রিকেটীয় আবেগের জায়গায় সেই একটাই তো কথ হারলেও বাংলাদেশ জিতলেও বাংলাদেশ।